সিএমএসএমই খাতে প্রণোদনার ঋণ বাড়াতে শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের একত্রে ৮০ শতাংশ উৎপাদন ও সেবা উপখাতে বিতরণ করলে চলবে। তবে ট্রেডে ২০ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকবে। আগে এসব উপখাতের মোট ঋণের অন্তত ৫০ শতাংশ উৎপাদন এবং ৩০ শতাংশ সেবা উপখাতে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সোমবার এ সংশোধনী এনে একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, সিএমএসএমই খাতে প্রণোদনার আওতায় ঋণ বিতরণের জন্য ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৭০ শতাংশ কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বাকি ৩০ শতাংশ দিতে হবে মাঝারি শিল্পে। তবে কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে সেবা ও উৎপাদনে আলাদা করে এত বেশি চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলো নীতিমালা সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছিল। সে প্রেক্ষাপটে এ নির্দেশনা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অন্যদিকে, অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে গত এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ কার্যকর হওয়ায় এ-সংক্রান্ত আগের সার্কুলার বাতিল করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ মে জারি করা ওই সার্কুলারে বলা হয়, ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নতুনভাবে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির ঝুঁকি এড়াতে ঋণের সুদহার বছরে একবারের বেশি বাড়ানো যাবে না। সুদহার বাড়াতে হলে গ্রাহককে অন্তত তিন মাস আগে নোটিশ দিতে হবে। আর মেয়াদি ঋণে প্রতিবার সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ এবং চলতি মূলধন ও অন্যান্য ঋণে সর্বোচ্চ ১ শতাংশ বাড়ানো যাবে। তবে এখন যেহেতু সব ঋণে ৯ শতাংশ সুদ কার্যকর হয়েছে, ফলে এসব নির্দেশনা বাতিল করা হলো।

বিষয় : সিএমএসএমই খাত কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য করুন