ই-কমার্সে বিশেষ অবদান রাখায় এবার সপ্তম ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২০-এ সেরা পাবলিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মাল্টিপারপাস হলরুমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এই সম্মাননা ও পুরস্কার গ্রহণ করেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

শনিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব এবং বেসিস-এর সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির।

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক উৎসবের সপ্তম আসর ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২০’ অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ই-কমার্সে দক্ষ জনবল বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘ই-বাণিজ্য করবো, নিজের ব্যবসা গড়বো’ প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপি ই-কমার্সবিষয়ক প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ই-কমার্সে দক্ষ জনবল আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখবে। ডিজিটাল কমার্সকে শক্তিশালী করার জন্য তৈরিকৃত ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল কমার্স পলিসি ২০১৮’-এর আওতায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে নীতি-সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ই-কমার্সের গুরুত্ব অপরিসীম। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাধারণ মানুষের নিকট ওষুধ ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব পালন করছে ই-কমার্স। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ বছর আম মৌসুমে অনলাইন আম মেলার আয়োজন করা হয়েছিল এবং এই কর্মসূচি বহুল প্রশংসিত হয়েছিল। বর্তমানে ই-কমার্সের মাধ্যমে ভোক্তা সাধারণের মধ্যে ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পেয়াজ বিক্রয় কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।