ঋণ পরিশোধে বাড়তি সুবিধা চেয়ে ব্যাংক মালিকদের দাবি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে ব্যাংক মালিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) বৈঠকে এ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এক টাকাও ডাউনপেমেন্ট না দিয়ে সব চলমান ঋণ তিন বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল এবং বিদ্যমান মেয়াদি ঋণ পরিশোধে বাড়তি তিন বছর সময় চেয়ে গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বিএবি ও এপিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই দাবি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে যান কয়েকজন চেয়ারম্যান। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠক থেকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, সব চলমান ঋণ মেয়াদিতে রূপান্তর করার নজির বিশ্বের কোথাও আছে কিনা জানা নেই। এমনটি করা হলে তারল্য প্রবাহ কমে ব্যবসায়ী ও ব্যাংক উভয়ে চাপে পড়বে। কেননা, একজন ব্যবসায়ী চলমান ঋণ সীমার আলোকে যে কোনো সময় উত্তোলন ও জমা দিতে পারেন। যে সময়ের জন্য তিনি টাকা উত্তোলন করেন শুধু ওই সময়ের জন্য তার থেকে সুদ আদায় করে ব্যাংক। আবার ব্যবসায়ীর প্রয়োজনে প্রতিবছর নবায়ন ও সীমা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে তাদের দাবি পর্যালোচনা না করে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়। এ কারণে সোমবারের বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।