দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ গিয়ে ঠেকেছে ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে। প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স আসার পাশাপাশি আমদানিসহ বৈদেশিক মুদ্রার অন্যান্য ব্যয় তুলনামূলক কমে আসায় রিজার্ভ বাড়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বৈদেশিক মুদ্রার এই মজুদ দিয়ে প্রায় ১০ মাসের আমদানি দায় মেটানো সম্ভব। সাধারণভাবে কোনো দেশে ৬ মাসের আমদানি দায় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলে সেটিকে আপদকালীন দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে গত বছর মার্চে দেশে করোনা শুরুর পর থেকে রিজার্ভে যোগ হয়েছে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২০ সালের মার্চ শেষে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। এর পর প্রতি মাসেই বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট দুই হাজার ৬৭ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিল এক হাজার ৪৮৭ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় গত ১০ মাসে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে ৫৮০ কোটি ডলার বা ৩৯ শতাংশ। গত অর্থবছর রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

মন্তব্য করুন