বীমা খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ বোনাস।

৩১ ডিসেম্বর ২০২০ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে মঙ্গলবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ এ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে।

এদিকে বীমা খাতের কোম্পানি ইসলামিক ইন্স্যুরেন্সও মঙ্গলবার চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটির ইপিএস গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ শতাংশ বেড়ে ৬৯ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।

ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স: ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স ৫ শতাংশ নগদসহ মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা। ২০১৯ সালে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৬৭ পয়সা।

কোম্পানি সকিব শেখ আনোয়ার উদ্দিন সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ৩১ ডিসেম্বর শেষে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪০ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। একই সময় শেষে শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৯৮ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের মুনাফার তথ্যও প্রকাশ করেছে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, যা গত বছর ছিল ২৭ পয়সা। শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৭০ পয়সা।

ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স: চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের মুনাফার তথ্যও প্রকাশ করেছে ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স।

পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে তা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানি সচিব মুজিবুর রহমান।

তিনি সমকালকে জানান, গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬৯ পয়সা, যা গত বছর ছিল ৪২ পয়সা।

এছাড়া মার্চ ২১ সমাপ্ত প্রান্তিকে ইসলামিক ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৫৪ পয়সা।