প্রস্তাবিত ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যাখ্যান করে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতারা বুধবার বলেছেন, জনগণের দিকে তাকিয়ে নয়, ব্যবসায়ীদের খেদমতে সরকারের এই বাজেট। বুধবার পৃথক সভা-সমাবেশ ও বিবৃতিতে এই বাজেট প্রত্যাখ্যান করে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতারা এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। 

নেতারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট সংশোধন করে গণমুখী ও জনকল্যাণমূলক করতে হবে। জাতীয় কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির বাজেট পর্যালোচনা সভায় প্রস্তাবিত কৃষি বাজেটকে সংবিধান ও বঙ্গবন্ধুর দর্শন বিরোধী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রস্তাবিত কৃষি বাজেটে পুরানো ছকে কর্পোরেট পুঁজি, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাকাপোক্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জাতীয় কৃষক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কেন্দ্রীয় নেতা হাজী বশির, নজরুল ইসলাম হক্কানী, নজরুল ইসলাম, মজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ মোড়ল, মিজানুর রহমান, আবুল কালাম, হবিবর রহমান, মোজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট ফিরোজ আলম, আবদুল হক প্রমুখ।

জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় করোনা মোকাবিলায় প্রস্তাবিত বাজেটে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। জনগণের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে ও অর্থনীতির গতি বেগবান করতে হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ১৮ উর্ধ্ব সকলকে টিকা দেয়ার দৃঢ় সংকল্প সরকারকে ঘোষণা করতে হবে। প্রয়োজনে মেগা প্রকল্প স্থগিত রেখে এই কাজ করতে হবে।

বিবৃতিতে সই করেছেন জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ডা. ফয়জুল হাকিম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা হারুন রশীদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা রওশন আরা, জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ সংগঠক অনুপ কুন্ডু ও সামিউল আলম।

চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় ইনচার্জ নিখিল দাস আরেক বিবৃতিতে বলেন, এবারের বিশাল বাজেটের সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ মাত্র দশমিক শূণ্য ৯৭ শতাংশ। এতে সংস্কৃতি কর্মকান্ডে যুক্ত দেশের সব মহল হতাশ হয়েছে। এদিকে সরকারের উচ্চমহল বলছে মৌলবাদ প্রতিহত করতে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বাড়াতে হবে। অথচ সংস্কৃতিতে বরাদ্দ অত্যন্ত কম।

মন্তব্য করুন