ঈদের পরে লকডাউনে কারখানা চালু রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের শিল্প মালিকরা। এ দাবির বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। রোববার সমকালকে তিনি নিজে এ কথা জানিয়েছেন।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি বলেন, পচনশীল পণ্যসহ বিভিন্ন খাতের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারখানা আছে, যা চালু রাখা ছাড়া উপায় নেই। এসব কারখানা চালু রাখার বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গে আমি আলোচনা করছি। কারখানা চালু রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করেন তিনি।

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, কোরবানির ঈদের সময়ে চামড়া শিল্প খোলা রাখা ছাড়া উপায় নেই। বিশেষ করে ট্যানারিগুলোতে ঈদের দিন থেকেই চামড়া সংরক্ষণ করা হয়। এবার কারখানা বন্ধ থাকলে চামড়া কোথায় যাবে? এছাড়া মৎস্য ও দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত খাতের কারখানা বন্ধ করার সুযোগ নেই। তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি খাতের কারখানা বন্ধ রাখলে রপ্তানি বিঘ্নিত হবে। অনেক রপ্তানি আদেশ হারাতে হবে।

এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, এমন অনেক কারখানা আছে, যা কখনও বন্ধ করা হয়নি। কিছু কারখানা আছে, বন্ধ করলে আবার চালু করতে এক মাস লাগবে। এ ক্ষেত্রে নিত্যপয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বড় সংকট তৈরি হবে। বিশেষ করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা খোলা রাখা জরুরি। যাতে কোনোভাবেই খাদ্যপণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত না হয়।

তিনি বলেন, এমন ধরনের অনেক কারখানা আছে, যেখানে সব বন্ধ থাকলেও বর্জ্য পরিশোধনাগার চালু রাখতে হবে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করেন তিনি।

বিষয় : এফবিসিসিআই ব্যবসা লকডাউন করোনা

মন্তব্য করুন