কুয়েতের নাগরিক এবং দেশটিতে অবস্থান করা প্রবাসীদের মন জয় করেছে সুস্বাদুর জন্য বিখ্যাত বাংলাদেশের আম্রপলি। করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক প্রবাসী প্রায় দুই বছর  ছুটিতে দেশে আসতে পারছেন না। এই সময় কুয়েতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, তাল, লটকন, করলা, লাউ, শিম, লতি, চাল কুমড়া, শিমের বিচি, পেঁপে, পটল, চিচিঙ্গা ও কচুশাকের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। 

কুয়েতসহ পৃথিবীর ৩৫টি দেশে বাংলাদেশের ফল ও সবজি রপ্তানি হয়। এসব পণ্যের ভোক্তা মূলত বিদেশে বসবাসরত বাঙালিরা। কিন্তু এবার কুয়েতের স্থানীয় নাগরিকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে আম্রপলি। ভবিষ্যতে কুয়েতে এর আমদানির ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘ লকডাউনে বাংলাদেশে আসতে না পারা প্রবাসীরা দেশের ফলমূল আর সবজি পেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। দেশ থেকে আমদানি করা বিভিন্ন জাতের শাকসবজি ও ফলমূল কিনতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় মার্কেটগুলোতে।

রাসেল নামে একজন প্রবাসী দীর্ঘদিন পর কুয়েতের বাজারে দেশি কালজাম পেয়ে উৎফুল্ল হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, পাঁচ বছর পর জামের স্বাদ গ্রহণ করলাম। 

আরেকজন প্রবাসী তার চাকরিদাতার জন্য আমরূপালি কিনেছিলেন। সেই আম খেয়ে খুব প্রশংসা করেছেন তার মালিক। আবারও তাকে পাঠিয়েছেন আম কেনার জন্য। 

এশিয়ান সুপার সপ মার্কেটের মালিক খোকন। তিনি সমকালকে জানান, দীর্ঘদিন লকডাউনের কারণে প্রবাসীরা দেশে আসতে পারছেন না। সেই চিন্তা থেকে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ফলমূল আমদানি করে থাকেন। কুয়েতে বাংলাদেশি পণ্যের প্রচুর চাহিদা। 

তিনি জানান, তার দোকানে ফলমূল কিনতে অনেক দূর থেকে আসেন প্রবাসীরা। দেশ থেকে পণ্য আসার আগেই আম কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলের অর্ডার দিয়ে রাখেন অনেকে।