ব্যাংকের পাশাপাশি এখন থেকে মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানেও আসল নোট চেনার উপায় সম্বলিত পোস্টার লাগাতে হবে। একইসঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিনের ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, লাইসেন্সধারী সব মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের অফিসে গ্রাহকদের দৃষ্টিগোচর হয় এ রকম স্থানে ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট চেনার পোস্টার প্রিন্ট করে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে দেওয়া পোস্টার ডাউনলোড করে ন্যূনতম ১৮ইঞ্চি বাই ১৪ দশমিক ৫০ ইঞ্চির পোস্টার করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিনের ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৬০২টি মানিচেঞ্জারের লাইসেন্স দেওয়া হয়। এরমধ্যে নানা অনিয়মের কারণে ৩৬৪টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে বর্তমানে অনুমোদিত রয়েছে ২৩৪টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই ঢাকায়। এছাড়া চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া ও বরিশালে রয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

সংশ্নিষ্টরা জানান, যে ঠিকানায় মানিচেঞ্জারের লাইসেন্স দেওয়া বা নবায়ন হবে, শুধু সেখানেই ব্যবসা করার কথা। আবার মানিচেঞ্জারের একের বেশি ব্যবসা কেন্দ্র খোলার সুযোগ নেই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এসব নিয়ম অমান্য করে প্রতিষ্ঠানগুলো। একই লাইসেন্স নিয়ে একাধিক স্থানে ব্যবসা, বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়া, শর্ত পরিপালন করতে না পারা, যথাসময়ে লাইসেন্স নবায়ন না করাসহ বিভিন্ন কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে।