স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও অন্তত ১২ বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ। ২৭ জাতির জোট ইইউর ঢাকায় নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলের সঙ্গে বৈঠকে বুধবার এ দাবি করেন সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান।

রাজধানীতে বিজিএমইর গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকে সংগঠনটির সভাপতি বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের মসৃণ উত্তরণের জন্য বড় বাণিজ্য অংশীদার ইইউর সহযোগিতা চান তারা। এলডিসি-পরবর্তী ১২ বছরের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত রাখা হলে এর মধ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রস্তুতের সময় পাবে।

২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হবে। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ইউএনসিডিপির এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। ইইউ আরও তিন বছর শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত রাখবে। তিন বছরের স্থলে আরও ৯ বছর বাড়িয়ে ১২ বছর শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত রখার দাবি জানান বিজিএমইএ সভাপতি। এলডিসি-উত্তর নতুন শুল্কমুক্ত সুবিধা জিএসপি প্লাস পাওয়ার ক্ষেত্রে ইইউর আমদানি সীমা ৭ দশমিক ৪ শতাংশের নিচে থাকার শর্ত প্রত্যাহারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

সূত্র জানায়, বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত বিজিএমইএর দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কোনো কথা বলেননি। তবে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। বৈঠকে বিজিএমইএর সহসভাপতি মিরান আলী এবং ইইউ ঢাকা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।