ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির সিইও রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তিসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটির গ্রাহকেরা। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তাবৃন্দ’র ব্যানারে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব দাবি জানান তারা।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- রাসেলকে নজরদারির মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া, এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার পূর্বে অর্ডারকৃত পন্য ডেলিভারি দিতে রাসেল যেই সময় চেয়েছেন তাকে সেই সময় দেওয়া, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে ইক্যাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয় কমিটি গঠন করা, করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম গুলোকে প্রণোদনা দেওয়া, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বানিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ লাইসেন্স বাধ্য করা এবং ই-কমার্স খাতকে সরকারিভাবে সুরক্ষা দেওয়া। 

সংগঠনটির সমন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং কো-সমন্বয়ক সাকিব হাসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা রাসেল এবং নাসরিনের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম গুলোকে প্রণোদনা দেওয়া। ই-কমার্স বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত। এখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই সেক্টরকে সরকারিভাবে সুরক্ষা দিতে হবে।