রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’ তার ইউজার, রাইডার ও ক্যাপ্টেনদের জন্য সড়কে নিরাপদ যাতায়াত সেবা নিশ্চিত করতে ‘গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স’ এর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বীমা কর্মসূচি চালু করেছে। শুক্রবার ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে’ এই বীমা সেবার যাত্রা শুরু হয়।

পাঠাও অ্যাপের রাইড শেয়ারিং সার্ভিস ব্যবহার করে কোনো ইউজার, ‘রাইডার’ ও ‘ক্যাপ্টেন’ দুর্ঘটনার শিকার হলে তারা বীমা সুবিধা পাবেন। এই বীমা কর্মসূচির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, প্রাথমিক চিকিৎসা খরচ (হাসপাতালে ভর্তি না হলেও), হাসপাতালের ব্যয়, স্থায়ী অক্ষমতায় আর্থিক সাহায্য ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

নিরাপদ রাইড শেয়ারিং নিশ্চিত করতে পাঠাও ইতোমধ্যে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, যেমন- জিপিএস ট্র্যাকিং, চালক ও যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য জমা রাখা, ভিওআইপি কল, জাতীয় জরুরি সেবায় সরাসরি যোগাযোগের জন্য ইমার্জেন্সি বাটন সুবিধা, অ্যাপে ২৪ ঘণ্টা ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (আইআরটি) সাহায্য পাওয়ার সুযোগ, রাইড শেয়ারিং চলাকালীন ‘ট্রাস্টেড কন্টাক্ট’ অর্থ্যাৎ পরিবার, বন্ধু বা বিশ্বস্ত কারো সঙ্গে রাইডের বিস্তারিত শেয়ারের অভিনব পদ্ধতি ইত্যাদি চালু করেছে, এতে যাত্রী ও চালকরা সবসময় নিরাপদ ও সংযুক্ত থাকছেন।

প্ল্যাটফর্মের ইউজারদের জন্য কোনো একটি ‘ট্রিপ’ এর শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়ের বীমা সুবিধাও নিয়ে এলো ‘পাঠাও’। তবে অফলাইন ট্রিপে (পাঠাও অ্যাপ ব্যতীত রাইড শেয়ারিং) যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনা ঘটলে চালক ও যাত্রীরা এই বীমা সেবার সুবিধা পাবেন না।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাঠাও প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ, গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের ইভিপি অ্যান্ড হেড অব ইমপ্যাক্ট বিজনেস নিপুল বড়ুয়া, এফএসভিপি অ্যান্ড ক্লাস্টার হেড মো. জাহাঙ্গীর কবির, ভিপি অ্যান্ড ব্র্যাঞ্জ ইনচার্জ মো. মইনুল ইসলাম ভূইঁয়া, এসভিপি, ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স সাদাফ নাসির সহ অন্যান্যরা।

এ প্রসঙ্গে পাঠাও প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ বলেন, “এই ঘোষণা প্ল্যাটফর্মের ইউজার, ‘রাইডার’ ও ‘ক্যাপ্টেনদের’ মানসিক প্রশান্তি এবং তাদের আর্থিক সহযোগিতায় পাঠাও এর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি-ই পুনর্ব্যক্ত করছে। দিনে দিনে রাইড শেয়ারিং এর জনপ্রিয়তা ও ইউজারদের কাছে এই সেবার গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকায়, বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করা এই ইন্স্যুরেন্স পলিসি ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যদের জন্যও অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও ফারজানা চৌধুরী বলেন, “রাইড শেয়ারকালীন পাঠাওয়ের ইউজার, ‘রাইডার’ ও ‘ক্যাপ্টেনদের’ দুর্ঘটনাজনিত প্রাথমিক চিকিৎসা খরচ (হাসপাতালে ভর্তি না হলেও), হাসপাতালের ব্যয়, স্থায়ী অক্ষমতা, কিংবা মৃত্যুর ফলে তাদের জন্য এই বীমা সেবা ঘোষণা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভিন্ন ভিন্ন ভোক্তাদের কথা মাথায় রেখে ইন্স্যুরেন্স সুল্যশন প্রদানের ক্ষেত্রে  ঝুঁকি নির্ণয়ে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স এর পারদর্শিতা ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এই বীমা সেবার সল্যুশন তৈরিতে আমাদের সাহায্য করেছে।” সংবাদ বিজ্ঞপ্তি