দরপতন থামছে না শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হয়েছিল। তাতে প্রধান মূল্য সূচক হারিয়েছিল ১৬৫ পয়েন্ট। রোববার নতুন সপ্তাহের লেনদেন শুরু হয়েছে একই ধারায়। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টাতেই সূচকটি হারিয়েছিল ৫৪ পয়েন্ট।

আজকের লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সকাল ১০টায় লেনদেনের শুরুতে বেশিরভাগ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়। ডিএসইএক্স সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৭১৭ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল।

কিন্তু এ অবস্থা ৪ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি। শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে দরপতন শুরু হয়। বেলা ১১টায় সূচকটি গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ৫৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৬৬৪৮ পয়েন্টে নামে। যা দিনের সর্বোচ্চ অবস্থানে তুলনায় ৬৯ পয়েন্ট নিচে। লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টা শেষেও এভাবে দরপতন চলছিল।

দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে আসা ৩৭০ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৬৫টিই দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। এ সময় দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৬৫টি এবং দর অপরিবর্তিত অবস্থায় ৪০ শেয়ার কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।

খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আজ প্রতিটি খাতেরই সিংহভাগ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছে। গত সপ্তাহে সার্বিক দরপতনের মধ্যেও বীমা খাতের শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী ছিল। আজ এ খাতে শেয়ারদর হারাচ্ছে।

এমন দরপতনের জন্য সুনির্দিষ্ট করে কোনো কারণ কেউ বলতে পারছেন না।

গত সপ্তাহের মত এ সপ্তাহের শুরুর দরপতনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেওয়াকে শেয়ারদরের নিম্নমুখীতার কারণ বলে উল্লেখ করছেন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা।