ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ ডটকম লিমিটেডের এক লাখ টাকার বেশি লেনদেনের ভাউচার চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আশিকুল আলম খান সুজন ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের লেনদেনসহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীণ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) এসব তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রিয়শপ ডট কম লিমিটেডের স্বত্বাধিকারি আশিকুল আলম খান সুজন ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী চিঠি পাওয়ার ৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাঠাতে হবে। এসব হিসাবে সম্পাদিত এক লাখ টাকা বা এর বেশি মূল্যমানের লেনদেনের ভাউচার আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে দিতে হবে।

চিঠিতে প্রিয় শপ ও আশিকুল আলম খান সুজন ছাড়াও অনেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিন, রুবানা ইয়াসমিন, শেখ রানা, সাবেরা ইসরাত ইভা, মিজানুর রহমান, আব্দুল লতিফ, হাছান আবদুল হামিদ, ছাবেরুল ইসলাম, কামাল হোসেন, শামসুল হক, উম্মে খালেদা, রানা রহমান চৌধুরী, সাদিয়া বেগম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সামিউল্লাহ, কামরুজ্জামান ও মঞ্জৃুর মোর্শেদ। এছাড়া কনসেপ্ট কনক্রিট নামের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তালিকায়। এদের নামের পাশে ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বারসহ বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হয়েছে।

উচ্চ ছাড়ে পণ্য বিক্রির কথা বলে গ্রাহক থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। অর্ডার নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে পণ্য সরবরাহ না করায় সমালোচনার মুখে পড়েছে পুরো ই-কমার্স খাত। অনেকে গ্রাহক বা মার্চেন্টের অর্থ নিয়ে পালিয়েছে। 

বিভিন্ন ব্যাংক কার্ড লেনদেন স্থগিতের পর বিতর্কের মুখে এর আগে ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, কিউকম, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুমবুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডটকম বিডিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করে বিএফআইইউ। 

ই-কমার্স খাতে আস্থা ফেরানো, গ্রাহকের অর্থ ফেরত দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারের একাধিক কমিটি কাজ করছে।