ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে করা রিট মামলায় পক্ষভুক্ত হতে সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের আবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে এই রিট মামলায় শামীমা নাসরিন ১৫ নম্বর বিবাদী হিসেবে গণ্য হবেন।

আদালতে শামীমা নাসরিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম মেহেদী। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শামীমা নাসরিন আবেদনে উল্লেখ করেছেন কোম্পানিতে তার যে ৫০ শতাংশ শেয়ার ছিল তার মধ্যে ২০ শতাংশ শেয়ার এরই মধ্যে তিনি তার মা ও বোনের স্বামীর নামে হস্তান্তর করেছেন। যখন এই মামলা করা হয়, তখন এই মামলার বিবাদী হিসেবে তিনি ছিলেন না। এজন্য তিনি এই মামলায় তাকে বিবাদী হিসেবে গণ্য করার জন্য আবেদনটি করেছেন।

আইনজীবী আরও জানান, ইভ্যালির সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রাসেল আরেকটি আবেদন করেছেন। ওই আবেদনে বলা হয়েছে, তার যত শেয়ার আছে তার মধ্যে ২ লাখ শেয়ার শ্বশুর বরাবর হস্তান্তর করতে চান। কিন্তু হস্তাস্তর প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন করতে কোম্পানি আইনের প্রভিশন হচ্ছে, ব্যক্তিকে সশরীরে উপস্থিত থেকে স্বাক্ষর, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে। কিন্তু রাসেল এখন কারাগারে আছেন। এজন্য তার পক্ষে সশরীরে আসা সম্ভব নয়। তবে আদালতে এই আবেদনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।

উল্লেখ্য, টাকা নিয়েও পণ্য না দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ইভ্যালি পরিচালনার জন্য আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়। ওই বোর্ড বর্তমানে ইভ্যালির দায়দেনা নিরূপণ, পুনরায় কার্যক্রম শুরু বা কোম্পানিটি অবসায়নে যাবে কিনা, তা পর্যালোচনা করছে।