রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গেলে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে চলতি এবং আগামী দুই অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাই সংশোধন করা হবে।

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং আগামী অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগেই নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং এখনও সেটাই ঠিক রাখা হয়েছে। কিন্তু যদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যায়, তাহলে এই লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করতে হবে।

বাজেটে ভর্তুকির চাপ কমাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের দাম বাড়ানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভর্তূকি নয় মূল্যষ্ম্ফীতির ব্যবস্থাপনাই সরকারের কাছে মুখ্য। তিনি বলেন, যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধই এই মুহূর্তে বড় বৈদেশিক অস্থিতিশীলতা(এক্সটারনাল ভারনাবিলিটি)।

বুধবারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দুই লটে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন জ্বালানি তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ হাজার ৫৪ কোটি টাকায় এসব তেল কিনবে বিপিসি। 

এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুটি, সুরক্ষা সেবা বিভাগের একটি এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয় অনুমোদনের জন্য তিনটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলো। কিন্তু দর প্রস্তাবগুলো প্রতিযোগিতাপূর্ন না হওয়ায় ফেরত পাঠিয়েছে কমিটি।