গতকাল বুধবারও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছিল। কিন্তু লেনদেন শেষ হয় মিশ্রধারায়। ব্লক মার্কেট এবং অল্প কিছু কোম্পানির বড় অঙ্কের লেনদেনে ভর করে লেনদেন বেড়ে ৯০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ডিএসইতে ১৭১ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে, কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫২টির দর। ডিএসইএক্স সূচক দিনভর খানিকটা ওঠানামা করে আগের দিনের অবস্থান ৬৬৭৭ পয়েন্টে থামে। দিনব্যাপী কেনাবেচা হয়েছে ৯৩২ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার, যা মঙ্গলবারের তুলনায় ১৬৬ কোটি টাকা বেশি।

ব্যাংক, প্রকৌশল, বস্ত্র, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, সিমেন্ট খাতে দর হারানোর বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার বেশি ছিল। বিপরীতে বীমা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং টেলিযোগাযোগ খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমেছে।

বাজার সংশ্নিষ্টরা জানান, নানা ইস্যুতে শেয়ারবাজার অনেকটা থমকে আছে। কে কোন শেয়ারে বিনিয়োগ করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না। এর মধ্যে গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিক শেষে সব কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছে। এর কিছুটা প্রভাব আছে। অন্যান্য দিনের মতো গতকালও বিশেষ হস্তক্ষেপে দিনের লেনদেন শেষে সূচকের পতন ঠেকানোর চেষ্টা বিএসইসির দিক থেকে ছিল বলে জানান তারা।

গ্রামীণফোনের ইপিএস কমেছে: চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্রামীণফোন। গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি নিট মুনাফা করেছে ৮০৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এ হিসাবে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ টাকা ৬০ পয়সা। নিট মুনাফা কমলেও কোম্পানির রাজস্ব আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক

৪০ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আধুনিকায়ন ব্যয় ও মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে নিট মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।