পাঁচ সপ্তাহ পর দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেন ফের হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএসইতে এক হাজার ২০৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা রোববারের তুলনায় প্রায় ২৩৬ কোটি টাকা বেশি। তিন সপ্তাহ আগের তুলনায়ও এ লেনদেন তিন গুণ বেশি। গত ১৮ এপ্রিল ৩৯০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।

বাজার-সংশ্নিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক দরপতনে ভালো মৌল ভিত্তি ও বৃহৎ বাজার মূলধনি বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারের দর ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল। হঠাৎ করে শেয়ারের কেনাবেচা বেড়েছে। এক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রান্তিকে ভালো মুনাফা করার তথ্য বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে থাকতে পারে। এমন শেয়ারের অন্যতম হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, ইউনিক হোটেল, ইফাদ অটোস, জেএমআই হসপিটাল ও ইস্টার্ন হাউজিং।

পাশাপাশি ফরচুন সুজ, আইপিডিসি, জেনেক্স ইনফোসিসের মতো শেয়ারের কেনাবেচা বৃদ্ধিরও বড় ভূমিকা আছে। এ ছাড়া ব্লক মার্কেটে ৭৩ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচাও লেনদেন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, লেনদেন বেড়েছে মূলত গুটিকয়েক শেয়ারে। লেনদেনের শীর্ষ ২০ কোম্পানির ৫৩১ কোটি টাকার বেশি শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা মোটের ৪৭ শতাংশের বেশি। এদিন যেখানে ৩৮৭ কোম্পানির শেয়ার ও ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যেখানে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ৫০ কোম্পানির লেনদেন ছিল মোটের এক-তৃতীয়াংশ। খাতওয়ারি হিসাবে ওষুধ ও রসায়ন খাতের লেনদেন ৭৫ কোটি টাকা বেড়ে ১৬৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৪ শতাংশ।

এদিকে গতকাল ২৪২ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬১টির দর। এতে ডিএসইএক্স সূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬৬৯৮ পয়েন্টে উঠেছে।