একক মালিকানাধীনে চলে ৯৫ শতাংশ এজেন্ট ব্যাংকিং। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিষয়ক সমীক্ষা প্রতিবেদনটি গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে বিবিএস। ২০২০ সালের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।
এজেন্ট ব্যাংকিং হচ্ছে বৈধ এজেন্সি চুক্তির অধীনে এজেন্ট নিযুক্ত করার মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা প্রদান। দেশে মোট আট হাজার ২৬০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট আছে। এসব এজেন্টের মধ্যে ১২৯টির নমুনা জরিপের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এতে দেখা যায়, একক মালিকানায় থাকা এজেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১২২টি। পারিবারিক মালিকানধীন প্রতিষ্ঠনের সংখ্যা মাত্র দুটি। অংশীদারিত্ব মালিকায় পরিচালিত চারটি।

বিবিএসের সমীক্ষায় দেখা যায়, ২০২০ সালে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে মোট জনবলের সংখ্যা ৫২৩ জন। এদের ৭৯ শতাংশই পুরুষ। সংখ্যায় ৪১১ জন। অন্যদিকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নারী কর্মীর হার ২১ শতাংশ। সংখ্যায় ১১২ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে কর্মরত কর্মচারীপ্রতি প্রাক্কলিত মাসিক গড় বেতন ১০ হাজার ২০ টাকা। আগের বছরের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যাদিকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে কর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা মিলে মোট ব্যয় ৪৮ হাজার ৭১১ টাকা। এক বছর আগে এ পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার ৬৬০ টাকা। এজেন্টপ্রতি অর্জিত রাজস্বের পরিমাণ ২০ হাজার ৬৩০ টাকা। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২০ হাজার ৪৯০ টাকা।