খোলাবাজারে হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া ডলারের দর আরও কমে ১০০ টাকার নিচে নেমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে নগদ ডলার বিক্রি হয়েছে ৯৮ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা দরে। গত মঙ্গলবার খোলাবাজারে এক লাফে প্রতি ডলারে সাত টাকা বেড়ে ১০২ টাকায় উঠেছিল। বুধবার একটু কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও নতুন করে দর বৃদ্ধির খবর পাওয়া যায়নি।

মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে করতে হয়। তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বাইরে ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ডলার কেনাবেচার অবৈধ বাজার রয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকের বাইরে বৈধ ও অবৈধভাবে ডলার কেনাবেচার বাজারকে খোলাবাজার বলা হয়।

বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে আমদানি ব্যয় অনেক বেড়েছে। রপ্তানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি হলেও আমদানির তুলনায় তা কম। একই সময়ে আবার রেমিট্যান্স কমছে। এ পরিস্থিতিতে বাড়তি চাহিদার কারণে ডলারের দর বাড়ছিল। দর আরও বাড়তে পারে- এমন ধারণায় গত কয়েক দিন খোলাবাজার থেকে অনেকে ডলার কিনে রাখেন। ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ কেউ শেয়ারের মতো ডলার কিনে রাখছেন। যে কারণে ব্যাংকের তুলনায় খোলাবাজারে দর অনেক বেশি বেড়ে যায়।

ব্যাংকাররা জানান, বাড়তি চাহিদার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে ডলারের দর একটু করে বাড়ছিল। সাধারণভাবে যেসব ব্যাংক বাজারে ডলার সরবরাহ করে, তারা কমিয়ে দেয়। সংকটে থাকা ব্যাংক তখন এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে ডলার কেনার চেষ্টা করে। একই এক্সচেঞ্জ হাউসে একাধিক ব্যাংক যখন যোগাযোগ করেছে, তখন তারা দর বাড়িয়ে দিয়েছে।