রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় পিবিআইর দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আটজনকে আসামি করে নুরুল ইসলামের মেয়ের করা এজাহার আমলে নিয়ে এ মামলায় নতুন করে তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগের তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চ রোববার এ রায় দেন।

এদিন নুরুল ইসলামের মেয়ে নিগার সুলতানার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুবকর সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।

আইনজীবী আবুবকর সিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, পিবিআইর তদন্ত কর্মকর্তা শামীম আক্তারের তদন্ত ও চার্জশিটটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে রায় দিয়েছেন আদালত। আসামিদের রক্ষা করার উদ্দেশ্যে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে বলে আদালত আদেশ দিয়েছেন। এ জন্য আদালত চার্জশিটটি বাতিল করে দিয়েছেন। এ ছাড়া আদালত ওই তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাদীর দায়ের করা নামসহ এজাহার গ্রহণ করে নতুন করে তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

২০১৯ সালের ১০ জুন নুরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরদিন সকালে পুঠিয়ার একটি ইটভাটা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর মেয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে পুঠিয়া থানার তৎকালীন ওসির কাছে একটি অভিযোগ দেন।