বাংলাদেশের জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৫ বছরের (২০২২-২৬)  কান্ট্রি প্রোগামিং ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) বুধবার স্বাক্ষরিত হয়েছে।রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন।

সিপিএফ হলো বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো, যা এফএওকে তার মধ্য মেয়াদি কান্ট্রি প্রোগ্রামকে কোনো দেশের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন নীতির ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদিত এই মূল নথিতে গুরুত্ব পেয়েছে টেকসই এবং সবুজ কৃষি-অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সবার জন্য স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য, লিঙ্গসমতা ও যুব উন্নয়ন এবং জলবায়ুসহিষ্ণু ও নিম্ন কার্বনসম্পন্ন টেকসই উন্নয়ন।

রবার্ট ডি সিম্পসন বলেন, 'নতুন কান্ট্রি প্রোগ্রামিং ফ্রেমওয়ার্ক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমাদের কয়েক দশকের অংশীদারিত্বে সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে। কারণ, আমরা সহযোগিতার একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছি, যা জলবায়ু সহনশীল এবং টেকসই কৃষি, খাদ্য রপ্তানি, অন্তর্ভুক্তি এবং পুষ্টি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব নির্দিষ্ট করেছে।'

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওতে যোগদানের পর থেকে সংস্থাটির প্রত্যক্ষ প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার সম্মিলিত বাজেট ৪০ কোটি ডলার। নতুন সিপিএফে বাজেট সাড়ে ১২ কোটি ডলার। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে, যা এফএওর প্রযুক্তিগত সহায়তাকেও সমর্থন করবে।