ম্যাংগো ড্রিংক, জুস, ম্যাংগো বারসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করতে প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমে আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে দেশের সর্ববৃহৎ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। বৃহস্পতিবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক ও নাটোরের একডালায় প্রাণ এগ্রোর কারখানায় এ আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। চলতি বছর ৬৫ হাজার টন আম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রাণ। প্রাণের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের (বিআইপি) জেনারেল ম্যানেজার সারোয়ার হোসেন বলেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, সাতক্ষীরা ও এর আশপাশের অঞ্চল আমের জন্য বিখ্যাত। এসব জেলা থেকে গুটি আম সংগ্রহ করে কারখানায় পাল্পিং করা শুরু হয়েছে, যা চলবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এরপর আশ্বিনা আম থেকে পাল্প সংগ্রহ শুরু হবে। কারখানায় আম সংগ্রহ চলবে আগস্ট পর্যন্ত আমের সরবরাহ থাকা সাপেক্ষে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, গত বছর আমরা চাষিদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টনের বেশি আম সংগ্রহ করেছি। ক্রেতারা যেন উৎকৃষ্ট মানের পাল্পের ফ্রুট ড্রিংক কিংবা জুস খেতে পারে সেজন্য পণ্যের কাঁচামালকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। এজন্য আমের জন্য বিখ্যাত অঞ্চলকে ঘিরে রাজশাহী ও নাটোরে আমাদের কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছি।
তিনি আরও বলেন, কারখানায় অত্যাধুনিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়া সম্পূর্ণ অ্যাসেপটিক পদ্ধতিতে সংগৃহীত আমের পাল্পিং করা হচ্ছে। অ্যাসেপটিক পদ্ধতিতে পাল্প সংরক্ষণ হওয়ায় দুই বছর পর্যন্ত তা ব্যবহার উপযোগী থাকে এবং সংরক্ষিত পাল্প থেকে সারা বছর আমের জুস ও ড্রিংক উৎপাদন করা হয়। এ আম থেকে তৈরি প্রাণ ফ্রুটো দেশের শীর্ষ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংকস ব্র্যান্ড হিসেবে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিশ্বের ১৪৫টি দেশে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে।