গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধন প্রদানের আদালতের নির্দেশনার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আপিল প্রক্রিয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলটির নেতারা। একইসঙ্গে টালবাহানা না করে অনতিবিলম্বে নিবন্ধন প্রদানের দাবি জানিয়েছেন তারা।   

সোমবার গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান। 

তারা বলেন, আদালতের রায় প্রদানের তিন বছর পর এ ধরনের আপিল প্রক্রিয়ার কী মানে- সেটাই বারবার ভাবতে হচ্ছে। কী কারণে এতদিন পর নির্বাচন কমিশন এই আপিল উদ্যোগ নিয়েছেন সেটাই এক অর্থে বিস্ময়ের। 

বিবৃতিতে জানানো হয়, গণসংহতি আন্দোলন ২০১৭ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। নির্বাচন কমিশনের এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চআদালতে রিট করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ২০১৯ সালে আপিল দায়ের করলেও শুনানির কোনো উদ্যোগ নেয়নি। গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশন এক দরখাস্ত দাখিল করে চেম্বার জজ আদালতে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চাইলে আদালত তাতে কোনো আদেশ দেননি। মূল আপিল আগামী ১৪ আগস্ট শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। 

এতে আরও জানানো হয়, অন্যদিকে উচ্চআদালতের রায় বাস্তবায়ন না করার কারণে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার জন্য শাস্তি প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তাতে রুল ইস্যু করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন আছে।