ঈদ মৌসুমে চামড়া সরবরাহ বেশি হওয়ায় অনেক সময় ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। এজন্য প্রয়োজনে সরকারিভাবে চামড়া কেনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে চামড়া কিনে লবণ দিয়ে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করলে প্রান্তিক পর্যায়ে ভালো দাম পাওয়া যাবে।

বুধবার চামড়া শিল্প খাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের পঞ্চম সভায় এসব কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

তিনি আরও বলেন, চামড়া শিল্প নিয়ে নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করতে হবে। কাঁচা চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে স্থায়ী কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে। শুধু ঈদকেন্দ্রিক কার্যক্রম দিয়ে এ রকম একটি বৃহৎ এবং সম্ভাবনাময় শিল্পের পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চামড়া শিল্পের উন্নয়নে এবং রপ্তানি বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করছে। আসন্ন কোরবানি ঈদ সামনে রেখেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, সাভার ট্যানারি শিল্প এলাকার কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, ট্যানারিগুলোর আধুনিকায়ন করতে হবে। কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে লবণের চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে এবং বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে।

শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ, বেচাকেনা, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়ে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন চামড়া খাতের ব্যবসায়ীরা।