যশোরের শার্শায় গৃহবধূ সাফিয়া খাতুন হত্যা মামলায় স্বামী মোফাজ্জেল হোসেন মিন্টুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে যশোরের বিশেষ বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিপি অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু দুর্গাপুর গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। আসামি মিন্টু পলাতক রয়েছেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১০ম শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০০০ সালে সাফিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন একই গ্রামের মিন্টু। কিছুদিন যেতে না যেতেই মিন্টু নানা অজুহাতে সাফিয়াকে মারধর করতেন।

২০০২ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাফিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে স্বামীর পক্ষ থেকে বলা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে সাফিয়াকে শ্বাসরোধে করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এরপর নিহতের মা কদবানু বেগম বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় নিহতের স্বামী মোফাজ্জেল হোসেন মিন্টুকে অভিযুক্ত ও অপর চারজনের অব্যহতি দিয়ে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লিয়াকত হোসেন।

দীর্ঘ সাক্ষীগ্রহণ শেষে আসামি মোফাজ্জেল হোসেন মিন্টুর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।