আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লিফট বা এলিভেটর পণ্য আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক্ক ১১ থেকে বাড়িয়ে ৩১ শতাংশ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তাঁরা বলছেন, শুল্ক্ক বাড়ানোর মাধ্যমে আমদানি নিরুৎসাহিত হবে। স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং লিফটের মতো ভারী শিল্পে দেশে বিপুল বিনিয়োগ আসবে। এতে আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে। স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়বে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী বলেন, দেশের অগ্রগতি ধরে রাখতে হলে স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে হবে। শুরুতেই দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতার মধ্যে ছেড়ে দিলে তা ধ্বংস হয়ে যাবে।
অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ভেতর যেসব পণ্য উৎপাদন করা যায়, সেগুলো বিদেশ থেকে আনা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এতে দেশীয় কোম্পানি বা উদ্যোক্তারা সুবিধা পাবেন। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে।
স্থানীয় উৎপাদনকারীরা বলেন, বর্তমানে দেশে উৎপাদিত লিফট দিয়ে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। ইউরোপীয় প্রযুক্তিতে বাংলাদেশে তৈরি লিফট আমদানি করা লিফটের চেয়ে মানে উন্নত।