করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত বিবেচনায় সব চাকরিতে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় (ব্যাকডেট) দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। 

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'চাকরিপ্রত্যাশী উচ্চ শিক্ষিত সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ' ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়েছে।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এই আয়োজনের সহ-সমন্বয়কারী নাইমুন নাহার। তিনি বলেন, করোনা মহামারিতে চাকরিপ্রার্থীরা প্রায় দুই বছর কোনো বিজ্ঞপ্তি পাননি এবং নিয়োগ পরীক্ষাও হয়নি। লকডাউন উঠিয়ে দেওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০টি পরীক্ষা হয়েছে। একই দিনে ও একই সময়ে অনেক পরীক্ষা হয়েছে। 

২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া ব্যাকডেটে তাঁরা মাত্র ১৩ শতাংশ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন, যার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সার্কুলার ছিল ৮ থেকে ৯টি আর বাকি সবই ছিল তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরির বিজ্ঞপ্তি। 

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রথমে পাঁচ মাসের ব্যাকডেটের সুযোগ দিলেও তখন কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি বললেই চলে। পরবর্তী ১২ মাস আর কোনো ব্যাকডেট বা বয়স ছাড় দেওয়া হয়নি। করোনার শুরুতে যাঁদের বয়স ২৮ ছিল বাস্তবিক অর্থে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৩০ বছরের পরিবর্তে তাঁরা ২৮ বছর পাচ্ছে। এটি সাংবিধানিক অধিকার পরিপন্থি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনের সমন্বয়কারী সারোয়ার আলম, সহ-সমন্বয়কারী মৌরিশি মুন, আব্দুর রহমান তুষার, সায়মা ইসলাম, আমিনুর রহমান, সোলায়মান হোসেন, হাফিজুর রহমান, ওবায়দুর জয় প্রমুখ।