গতকাল মঙ্গলবার চার্জার ফ্যানের দাম বেঁধে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করতে পারেনি বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিইএ)। সংগঠনটি জানিয়েছে, হাতে সময় কম থাকায় সব আমদানিকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে সিদ্ধান্তও নেওয়া যায়নি। তবে আগামী শনিবারের মধ্যে দাম বেঁধে দেওয়া হবে। রোববার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে তা জানানো হবে।

লোডশেডিংয়ের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে চার্জার ফ্যান, লাইট ও জেনারেটরের দাম অস্বাভাকি হারে বেড়েছে। অভিযানে দাম নিয়ে কারসাজির নানা তথ্য পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গত সোমবার অধিদপ্তরের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিইএ সভাপতি জানান, মঙ্গলবার আমদানিকারকদের সঙ্গে বসে দাম নির্ধারণ করা হবে।

গতকাল রাজধানীর নবাবপুরে বিইএ ভবনে সংগঠনটির নেতারা আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ বিষয়ে বিইএর চেয়ারম্যান খন্দকার রুহুল আমীন সমকালকে বলেন, তড়িঘড়ি করে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের আমদানিকারকরা আসতে পারেননি। তবে আগামী শনিবারের মধ্যে দাম নির্ধারণ করে রোববার অধিদপ্তরকে জানানো হবে।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল বলেন, বিইএ গতকাল পর্যন্ত দাম বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তারা সঠিক দাম নির্ধারণ করে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করবে অধিদপ্তর। তিনি বলেন, ভোক্তার স্বার্থে ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের বাজারে অভিযান চলবে। প্রতিদিনই অভিযানে অস্বাভাবিক দামে পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে, চার্জার ফ্যানের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানোর অভিযোগে গতকাল ইমামগঞ্জের মিটফোর্ড রোডে মিজাব এন্টারপ্রাইজকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের অভিযানে দেখা যায়, গত ৫ জুলাই একটি চার্জার ফ্যান তিন হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। ধাপে ধাপে দাম বাড়িয়ে একই ফ্যান সোমবার ৪ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।