জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল পেতে হলে তরুণদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। ডিজিটাল দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে হবে তাঁদেরকে। কারণ বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার অগ্রযাত্রায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন তাঁরাই। দেশকে সার্বিকভাবে ডিজিটালি কানেক্টেড করার মাধ্যমে শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য কমাতেও সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সবার জন্য তৈরি করতে হবে অর্থনৈতিক সুযোগ।

গত রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ফিউচারনেশন :গ্র্যাজুয়েট এমপ্লয়মেন্ট ইন প্রাইভেট সেক্টর কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), গ্রামীণফোন যৌথভাবে এ কর্মসূচি চালু করেছে। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্টম্ন বাস্তবায়নের পর সরকার এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সফলভাবে অংশ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। এজন্য সরকার আইসিটির বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার মাধ্যমে 'স্মার্ট বাংলাদেশ' প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল পেতে টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তরুণদের ডিজিটালে দক্ষ করে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। দেশকে সার্বিকভাবে ডিজিটালি কানেক্টেড করার মাধ্যমে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য কমাতে আমাদের অবশ্যই একযোগে কাজ করতে হবে।

ইউএনডিপির স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজর রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, উন্নত গ্রুমিং এবং বাস্তবসম্মত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ফিউচারনেশন তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্য করে তুলতে এবং তাঁদের দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি বলেন, বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজার প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। দ্রুতগতিতে অর্থনীতি ও প্রযুক্তির বদলে যাওয়ার ফলে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তরুণরা যেন খাপ খাইয়ে নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

টেলিনরের ইভিপি ও হেড অব এশিয়া ইয়র্গেন সি. আরেন্টজ রোস্ত্রুপ ভিডিও বার্তায় বলেন, তরুণদের জন্য সুযোগ করে দেওয়া যে কোনো জাতি এবং বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার অগ্রযাত্রায় বড় ভূমিকা রাখবেন তরুণরা। তাঁদের জন্য ইউএনডিপি ও বিডার সঙ্গে যৌথ কর্মসূচিতে থাকতে পেরে গ্রামীণফোন গর্বিত।

বিষয় : জনমিতিক লভ্যাংশ টেকসই কর্মসংস্থান ডিজিটাল দক্ষতা

মন্তব্য করুন