চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের ওয়েল ফুড থেকে আগস্ট মাসে মিষ্টি ও অন্যান্য খাবার কিনেছিলেন এক ব্যক্তি। ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইসের (ইএফডি) মাধ্যমে বিল নেয় ওয়েল ফুড। এ ব্যবস্থার বিলে পণ্যের দামের সঙ্গে ভ্যাটও যুক্ত হয়ে যায়। ওই গ্রাহক বিল দিয়েছেন মোট ৮৭ টাকা। দোকানদার তাঁকে একটি ভাউচার দিয়েছিলেন। এই ভাউচারের নম্বর গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ২০তম ইএফডি লটারিতে প্রথম পুরস্কার জিতেছে। যার মূল্যমান এক লাখ টাকা।

গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনে কক্ষে এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআরের সদস্য (শুল্ক্ক নিরীক্ষা, আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য) ড. আব্দুল মান্নান শিকদার। ইলেকট্রনিক ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত লটারির ফলাফল ঘোষণা করেন এনবিআরের সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন) ড. মইনুল খান। লটারি বিজয়ী ১০১ জনের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ভ্যাট পরিশোধে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনবিআর এ লটারির ব্যবস্থা চালু করে। এরপর থেকে প্রতি মাসের ৫ তারিখে আগের মাসের ইএফডির চালান থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লটারি করে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। তবে চালান হারিয়ে ফেলা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং পুরস্কার সম্পর্কে ধারণা না থাকার কারণে অনেক বিজয়ী পুরস্কার গ্রহণ করতে আসছেন না। এ পর্যন্ত ২ হাজার ২০ জনকে পুরস্কারের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও পুরস্কার নিয়েছে মাত্র ১০৬ জন। এর মধ্যে ৩ জন মাত্র প্রথম পুরস্কার নিয়েছেন।

প্রত্যেক লটারিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার এক লাখ টাকা পান একজন। দ্বিতীয় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা পান একজন। তৃতীয় পুরস্কার দেওয়া হয় ৫ জনকে ২৫ হাজার টাকা করে। আর চতুর্থ পুরস্কার দেওয়া হয় ৯৪ জনকে ১০ হাজার টাকা করে। এ পুরস্কারের জন্য প্রতি মাসে এনবিআরের বরাদ্দ ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

বিষয় : ইএফডি লটারি

মন্তব্য করুন