পদ্মা সেতুর নাট খোলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। শিগগির এই মামলার চার্জশিট দাখিল করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, পদ্মা সেতু নিয়ে জনমনে নেতিবাচক ধারণা দিতে নাট খোলার ভিডিও ভাইরাল করা হয়েছে। আর নাট খোলার কাজটি করেছেন বায়েজিদ তালহা। ভিডিও ধারণ করেন তালহার বন্ধু কায়সার মামুন। তবে এ ঘটনায় মামলা হওয়ার আগেই দেশ ছাড়েন কায়সার। ভিডিও ছড়িয়ে যাওয়ার পরদিন কাতার পালিয়ে যান তিনি।

এ ব্যাপারে সিআইডির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান সমকালকে বলেন, নাট খোলার মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। মামলা করার আগে যে পালিয়েছে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফেরত আনা হবে। পদ্মা সেতু ঘিরে জনসাধারণের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতেই ওই কাজটি তারা করেছিল।

২৫ জুন দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়। এর পরদিন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বায়েজিদকে সেতুর নাট খুলে দর্শকদের উদ্দেশে তুলে ধরতে দেখা যায়। ওই ঘটনায় রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা থেকে ২৬ জুন তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ওই দিন রাতেই সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক শাহীনুল ইসলাম বাদী হয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় বায়েজিদকে আসামি করার পাশাপাশি এ কাজে সহযোগিতা করায় কায়সারকেও আসামি করা হয়।

সংশ্নিষ্টরা জানান, এরই মধ্যে বায়েজিদের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করানো হয়। তবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি বায়েজিদ। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর নাট খোলার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।