বুধবার গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রামীণফোন এক্সিলারেটর ৩.০ এর ডেমো ডে। বাছাই করা কিছু দেশীয় স্টার্টআপের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে গ্রামীণফোনের এক্সিলারেটর কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালে। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে তারা তাদের সপ্তম ব্যাচ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।

এর পরিক্রমায় অনুষ্ঠিত হলো এ বছরের 'ডেমো ডে', যেখানে অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপরা তাদের ব্যবসাকে ক্রেতা বা বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরে। এক্সিলারেটর বাস্তবায়নের জন্য এবার গ্রামীণফোনের সঙ্গে ছিল সহযোগী হিসেবে ছিল বেটারস্টোরিজ লিমিটেড, লাইটক্যাসল পার্টনারস ও আপস্কিল।

অনুষ্ঠানে বর্তমান ব্যাচের ছয়টি স্টার্টআপ তাদের নিজস্ব পিচ উপস্থাপন করে। ডেমো ডে'তে অংশগ্রহণকারী স্টার্টআপগুলো ছিল- আইপেজ, এয়ারওয়ার্ক, লাইল্যাক, অন্ন, ওয়ানথ্রেড ও গেম অফ ইলেভেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের স্টার্টআপ জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তি, নীতিনির্ধারক এবং স্বনামধন্য বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সদস্য মোহসিনা ইয়াসমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান।

গ্রামীণফোন এক্সিলারেটরের সহযোগী সংস্থা বেটারস্টোরিজ লিমিটেড জানায়, বর্তমান ব্যাচের স্টার্টআপগুলো 'গ্লোবাল-ফার্স্ট' অর্থাৎ বিশ্ববাজারকেন্দ্রিক দর্শনে গড়ে উঠেছে। বেটারস্টোরিজের চিফ স্টোরিটেলার এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের পরিচিত মুখ মিনহাজ আনওয়ার বলেন, '২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। স্বভাবতই যা হবে প্রবৃদ্ধির জন্য একটি বড় বাজার।

স্টার্টআপগুলো এ পরিবর্তনের পেছনে অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে চলেছে। আমাদের এখন একটি সম্পূর্ণ নতুন স্টার্টআপ প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারকে লক্ষ্য রেখে গড়ে উঠছে। আমরা আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে অনেক উন্নত প্রযুক্তি এবং দারুণ ফলাফল দেখতে পাবো, যা লাখ লাখ মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করবে, যা আমাদের স্টার্টআপরাই তৈরি করবে।'