আইপিও অনুমোদন পেতে ব্যাংক ঋণের মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ সংশ্নিষ্ট প্রকল্পে খরচ না করে সহযোগী কোম্পানির মাধ্যমে আত্মসাতের দায়ে তালিকাভুক্ত নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার কোম্পানি, এর উদ্যোক্তা ও পরিচালক, ইস্যু ম্যানেজার এবং অডিটরদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানায়, ২০১৭ সালে আইপিওতে আসা নূরানী ডাইং আইপিও প্রসপেক্টাসে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে এবি ব্যাংকে তাদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণস্থিতি উল্লেখ করে যথাক্রমে ৫৭ কোটি ও ৪৩ কোটি টাকা। কিন্তু ডিএসইর অনুসন্ধানে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ঋণস্থিতি যথাক্রমে ১৬৯ কোটি, ১৯২ কোটি এবং ২১৬ কোটি টাকা পাওয়া যায়। আইপিওর ৪৩ কোটি টাকা কারসাজির মাধ্যমে উদ্যোক্তারা নিজেদের সহযোগী কোম্পানিতে ৪১ কোটি টাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন নথি বানিয়ে রপ্তানি এবং বিভিন্ন ব্যয়ের তথ্য দিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করেন। এর বাইরে উদ্যোক্তা-পরিচালকরা শেয়ার ব্যবসা করতে কোম্পানির প্রায় ৩১ শতাংশ শেয়ার যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে জামানত রেখে মার্জিন ঋণ নেন।