বর্তমান কর ব্যবস্থার বেশিরভাগই পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরশীল, যা দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায্য নয়। ভ্যাট দরিদ্রদের প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল। তাদের আয়ের একটি বড় অংশ কেড়ে নেয়। অন্যদিকে ভ্যাটের কার্যকারিতা সবার ক্ষেত্রে সমান প্রভাব ফেলে বলে এটি দরিদ্রের ওপর একটি বোঝা তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত তা দরিদ্র ও ধনীর মধ্যে আয়বৈষম্য সৃষ্টি করে। দরিদ্র মানুষকে ধনীদের তুলনায় প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোয় আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে হয়। তাই প্রয়োজন জনঅংশগ্রহণমূলক একটি প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা।

সোমবার ওয়েভ ফাউন্ডেশন দাতা সংস্থা ক্রিশ্চিয়ান এইডের সহায়তায় এক বছর মেয়াদি প্রোমোটিং সিটিজেনস পার্টিসিপেশন ফর প্রগ্রেসিভ ট্যাক্সেশন প্রকল্পের স্টার্ট-আপ ইভেন্ট বক্তারা এসব বলেন। রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের মো. তাজুল ইসলাম।

ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমার সঞ্চালনায় এতে প্রকল্প পরিচিতি তুলে ধরেন প্রকল্পের সমন্বয়ক নির্মল দাস। আয়োজকদের পক্ষে বক্তব্য দেন গভর্ন্যান্স অ্যাডভোকেসি ফোরামের ফ্যাসিলিটেটর অনিরুদ্ধ রায়।

'বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রগতিশীল কর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কর ন্যায্যতা'-বিষয়ক গবেষণার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটির প্রভাষক সানজিদা ইসলাম। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের পক্ষ থেকে নাগরিক সমাজের সংগঠন ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা এতে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

বিষয় : ভ্যাটের কার্যকারিতা প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা দরিদ্র ও নিম্ন আয়

মন্তব্য করুন