ব্যাংকখাতে অনিয়মের অভিযোগ লিখিতভাবে জানালে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ, লিখিত দেন, আমরা খতিয়ে দেখব।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে হাউস বিল্ডিং লোন ম্যানেজমেন্ট মডিউলের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

সম্প্রতি ব্যাংকখাতের ঋণ বিতরণে অনিয়মসহ নানা দুর্বলতার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনা। এমন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রকৃত চিত্র জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ নীতিমালা করা হয়। বর্তমানে প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মচারী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ কার্যক্রম চলমান।

তিনি আরও বলেন, গৃহনির্মাণ ঋণের জন্য এখন যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তাতে অধিকাংশ সময়ে একজন আবেদনকারীর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লেগে যায়। আবেদনের অবস্থা কী বা কোন পর্যায়ে আছে তা জানারও সুযোগ থাকে না। ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজড হলে এ ধরনের সমস্যা থাকবে না। আবেদনকারী সরাসরি অনলাইনে অর্থ বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে অর্থ বিভাগ হতে সুদ ভর্তুকির মঞ্জুরি আদেশ জারি করা সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশেদুল কবীর প্রমুখ।