বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ওয়েলসের উদ্যোক্তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-ইউকে বিজনেস নেটওয়ার্কিং মিটিংয়ে চেম্বার্স ওয়েলসের প্রতিনিধিরা এ কথা জানান। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডিসিসিআইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, চেম্বার্স ওয়েলসের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠকে চেম্বার্স ওয়েলসের নির্বাহী চেয়ারম্যান পল স্লেভিন বলেন, ওয়েলসের বেসরকারি খাত বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পার্টনারশিপ সম্প্রসারণে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি খাত ও মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্রিটেনের সুদীর্ঘকালের অভিজ্ঞতা রয়েছে। যা বাংলাদেশের তরুণসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি তথ্য-প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজে লাগতে পারে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বর্তমানে প্রায় ২০০টি ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যাংকিং, টেক্সটাইল, কেমিক্যাল, ওষুধ, জ্বালানি ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগ করেছে। গত অর্থবছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের জন্য তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানির গন্তব্যস্থল। তিনি বলেন, এলডিসি হতে বাংলাদেশের উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। মানবসম্পদ উন্নয়ন, তথ্য-প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতে বিনিয়োগের জন্য ওয়েলসের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি আরমান হক। এ সময় ডিসিসিআই সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেনসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।