গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে নতুন করে কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম আগের চেয়ে কিছুটা বাড়তি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বাড়তি দামের এ তালিকায় রয়েছে চাল, ডাল, চিনি, আটা, মসলা, মাছ-মাংসের দাম। তবে শীতকালীন সবজি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তির খবর রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়। 

বাজারে শীতের সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে শীতকালীন সবজির। এ নিয়ে কারওয়ান বাজারসহ একাধিক বাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগের তুলনায় কিছু সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।সবজির দাম কমে যাওয়ায় ক্রেতাদের স্বস্তি মিলেছে। 

তবে ক্রেতারা বলছেন, খুচরা বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমলেও এখনো অনেক কিছু তাঁদের নাগালের বাইরে।

এক ক্রেতা বলেন, বাংলাদেশে শীতকালই শাকসবজি ও ফলমূলের জন্য উপযুক্ত সময়। ইতোমধ্যে শীতকালীন সবধরনের সবজি বাজারে আসতেও শুরু করেছে, কিন্তু সে তুলনায় দাম অনেক বেশি।

জানা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া নতুন করে বেড়েছে আটার দামও। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। চিনির বাজারে অস্থিরতা এখনো কাটেনি। বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত চিনি দেখা যায়নি। তবে কিছু দোকানে খোলা চিনি পাওয়া গেলেও বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া সব ধরনের মসলা আগের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা।

তবে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো ডিমের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। প্রতি ডজন ডিম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে। 

এদিকে মাছ-মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়েলার মুরগী, সোনালী মুরগী, দেশি মুরগীর দাম  কিছুটা বেড়েছে। এছাড়াও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও বাড়তি দেখা গিয়েছে।