ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বেড়েই চলেছে মূল্যসূচক

বেড়েই চলেছে মূল্যসূচক

.

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২৩:২৮

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রোববারও ঢাকার শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে। এ নিয়ে টানা দশম দিনে সূচকটি বাড়ল। শুধু গতকালই সূচকটি ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪৪৭ পয়েন্টে উঠেছে। ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বরের পর বা সর্বশেষ ১৭ মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট দিনে সূচক এতটা বাড়ার নজির নেই। তাছাড়া সূচকের এ অবস্থান ওই বছরের ১৩ অক্টোবর বা গত ১৬ মাসের সর্বোচ্চ।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সর্বশেষ ১০ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩৬৮ পয়েন্ট। শতাংশের হিসাবে ৬ শতাংশের মতো। আগের ৯ দিনের বেশির ভাগ দিনে সূচক বৃদ্ধিতে অন্যান্য খাতের বিশেষ অবদান থাকলেও গতকালের সূচক বৃদ্ধিতে একক সর্বোচ্চ অবদান ছিল ব্যাংক খাতের।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এদিন তালিকাভুক্ত ৩৯৩ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৯০টিরই কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬১টির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১৯৫টির দর এবং অপরিবর্তিত ৩৩টির।

বেশির ভাগ শেয়ারের দর কমার পরও সূচক বাড়ার কারণ ব্যাংক খাত। খাতটির তালিকাভুক্ত ৩৫ ব্যাংকের মধ্যে ৩৩টির দর বেড়েছে। এর মধ্যে ছয়টির শেয়ারদর ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এগুলো হলো– সাউথবাংলা এগ্রিকালাচার, সোশ্যাল ইসলামী, ন্যাশনাল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আইসিবি ইসলামিক এবং এবি ব্যাংক। তবে এ খাতের গড় শেয়ারদর বেড়েছে ৪ শতাংশ। এতেই ডিএসইএক্স সূচকে যোগ হয় ৫৬ পয়েন্ট।

পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, সার্বিক হিসাবে ব্যাংকের তুলনায়ও গড় শেয়ারদর বেশি বেড়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের। খাতটির লেনদেন হওয়া ২২টির মধ্যে ২০টির দর বেড়েছে। এ খাতের গড় শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় সোয়া ৪ শতাংশ। এর মধ্যে প্রাইম, জিএসপি এবং লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের দর ৯ থেকে পৌনে ১০ শতাংশ বেড়েছে। তবে কোম্পানিগুলোর বাজার মূলধন তুলনামূলক কম হওয়ায় সূচকেও এর প্রভাব কম। এতটা দর বৃদ্ধির পরও সূচক বেড়েছে পৌনে ৩ শতাংশ।

ব্যাংকের বাইরে সূচক বৃদ্ধিতে বেশি অবদান ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। খাতটি গতকাল সূচকে যোগ করে ১৪ পয়েন্ট। যদিও এ খাতের ১৪ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির বিপরীতে ১৯টির কমেছে। তার পরও সূচক বৃদ্ধিকে পয়েন্ট যোগ করার কারণ একা বিকন ফার্মার দর বৃদ্ধি সূচকে পৌনে ১৩ পয়েন্ট যোগ করেছে। এ ছাড়া বেক্সিমকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা এবং ওরিয়ন ফার্মার দর বৃদ্ধি সম্মিলিতভাবে আরও ১৫ পয়েন্ট যোগ করে। তবে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর রেনাটা গতকালও শেয়ারপ্রতি প্রায় ৫৮ টাকা দর হারিয়েছে। এতে একই সূচক কমিয়েছে ১৫ পয়েন্টের বেশি।
এদিন ডিএসইতে বীমা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, প্রকৌশল, বস্ত্র, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক এবং কাগজ ও ছাপাখানা খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। বাকিগুলোতে ছিল মিশ্রধারা। এর মধ্যেও ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×