সমৃদ্ধি

কৃষিতে সাফল্যের নেপথ্যে সবুজ নেতৃত্ব

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২০       প্রিন্ট সংস্করণ

ড. আব্দুর রাজ্জাক

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের ১৩.৩০ ভাগ আসে কৃষি থেকে। কৃষিতে শতকরা ৪১ ভাগ মানুষের কর্মসংস্থান হয়। কৃষি বাংলাদেশের ১৬.৫ কোটি মানুষের শুধু খাদ্য ও পুষ্টির নিশ্চয়তা বিধান করে না, বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের জোগানও দেয়। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি অদূর ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে সরকার গঠনের পরপরই উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবুজ বিপ্লবের ডাক দেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিকে অগ্রাধিকারভুক্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকেই নিলেন কৃষকদের জন্য এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। তাদের সব বকেয়া খাজনার সুদ মওকুফ করে দিলেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনাও মওকুফ করার ঘোষণা দিলেন। তিনি কৃষিবিপল্গব বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি যুগোপযোগী ভূমি সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিলেন। জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সিলিং ১০০ বিঘা নির্ধারণ করে উদ্বৃত্ত জমি ও খাসজমি ভূমিহীন ও প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বণ্টনের উদ্যোগ নিলেন। পাকিস্তানি শাসন আমলে রুজু করা ১০ লাখ সার্টিফিকেট মামলা থেকে কৃষকদের মুক্তি দেন। দেশের জন্য দ্রুত উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের নিয়ে গঠন করেন প্রথম পরিকল্পনা কমিশন। গঙ্গা নদীর প্রবাহ থেকে অধিক পানিপ্রাপ্তি, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, উন্নত বীজ, সার, কীটনাশকের ব্যবহার, নানা ধরনের প্রণোদনা এবং সার্বিক কৃষকদরদি নীতির ফলে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতির ধারা সূচিত হয়েছিল।
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে (১৯৯৬-২০০১) মেয়াদে এবং ২০০৯ সাল থেকে টানা তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সুদীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে বাংলাদেশ হয়েছে খাদ্য ঘাটতির দেশ। এই খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা করা হয়েছে হয় খাদ্য আমদানি করে অথবা বিদেশি সাহায্য দিয়ে। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলতেন, ভিক্ষুকের জাতির কোনো সম্মান থাকে না। বাংলাদেশ অস্বাভাবিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রায় প্রতি বছর বন্যা, খরা, ঝড়, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের সম্পদ ও ফসলের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়। সম্প্রতি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ফোরাম থেকে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাছাড়া এই দেশ পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ (প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১২০০ মানুষ)। একটি দেশের খাদ্য উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো সে দেশের চাষাবাদের ভূমি ও পানি। একদিকে জনসংখ্যা প্রতি বছর প্রায় ২২ লাখ নতুন মুখ যোগ হচ্ছে, অন্যদিকে শহর সৃষ্টি, শিল্পকারখানা নির্মাণ, বাড়িঘর তৈরি ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে আবাদি জমির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমছে। ১৯৭১-৭২ সালে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ছিল ২৮ শতাংশ, তা কমে এখন দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশে। কৃষি উন্নয়নে আগে বিদেশি সাহায্য পাওয়া যেত ওডিএ-এর শতকরা ১৮-২০ ভাগ, যা কমে হয়েছে শতকরা ৪ ভাগেরও কম। দেশ অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হওয়ায় মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পূরণের জন্য খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে অব্যাহতভাবে।
উপরে উল্লিখিত প্রতিকূল বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং তা টেকসই রাখা বাংলাদেশের জন্য খুবই কঠিন চ্যালেঞ্জ। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগের ক্ষমতা গ্রহণের ফলে পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সূচিত স্বৈরশাসন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ধারার অবসান হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসূচি হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন শুরু হয়। মাত্র পাঁচ বছরে উন্নয়ন-অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে অর্জিত হয় চমকপ্রদ সাফল্য। প্রথমবারের মতো দেশ খাদ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করে। ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে দেশে ৪০ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত হয়। শেখ হাসিনা জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার 'সেরেস' পদকে ভূষিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আবার কৃষিতে স্থবিরতা নেমে আসে। ২০০১-০২ সালে দানাজাতীয় খাদ্যের উৎপাদন ২৬৮ লাখ টন থেকে নেমে আসে ২৬১ লাখ টনে। সূচিত হয় আবার নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা।

শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দৃঢ় পদক্ষেপে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই নির্বাচনী ইশতেহার 'দিন বদলের সনদ' ও 'রূপকল্প ২০২১'-এর আলোকে প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম 'প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১)' এবং ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, যা উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে আসছে। শেখ হাসিনা সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে (২০১৪-১৮) প্রণীত হয় সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। রূপকল্প ২০২১-কে সামনে রেখে ২০০৯ সালে উন্নয়নের যে অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল তার গতি ও পরিধি সরকারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় মেয়াদে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। ইতোমধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচনসহ এমডিজির সব লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ সফলভাবে অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) গুরুত্ব সবিশেষ বিবেচনায় নিয়ে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বিত করা হয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচন করে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্যগুলোর অন্যতম। দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল হচ্ছে কৃষি ও পল্লি জীবনে গতিশীলতা। কৃষিই দারিদ্র্য বিমোচনের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। এ লক্ষ্যে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন ও বীজ সরবরাহ, কৃষি উপকরণে প্রণোদনা প্রদান, সারের সুষম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রবর্তন এবং ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা, কৃষি খাতের উন্নয়নে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে কৃষিজমির আওতা সম্প্রসারণ, কৃষকদের ডাটাবেস তৈরি, প্রশিক্ষণ, শস্য বহুমুখীকরণ, কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের সহায়ক পরিবেশ সৃজন, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান, কৃষি গবেষণার মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কৃষি গবেষণার জন্য এনডাউমেন্ট ফান্ড মঞ্জুর এবং উৎপাদন বৃদ্ধি ও মাটির স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জৈব সার ব্যবহার বৃদ্ধি ইত্যাদি কার্যক্রম প্রতিবছর অব্যাহতভাবে করা হচ্ছে। ফলে, কৃষি খাতে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়াকে পেছনে ফেলে তৃতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়, চা উৎপাদনে চতুর্থ, আলু ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম এবং সবজি উৎপাদনে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দেশ।
শেখ হাসিনা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষিকে আধুনিকীকরণ ও অধিকতর লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০১০ থেকে ২০২০ পর্যন্ত প্রায় ৬৯ হাজার ৮৬৮টি কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রায় ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার 'কৃষি যান্ত্রিকীকরণ' শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
গবাদি পশুপাখির টিকা উৎপাদন, চিকিৎসাসেবা প্রদান, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জাত উন্নয়ন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে দুধ, ডিম, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর ফার্ম, মৎস্য চাষের খামার স্থাপন কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ফলে, দুধ, ডিম, মাংসসহ অন্যান্য পুষ্টিজাতীয় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে আশানুরূপ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন যথাক্রমে ২৯.৫ লাখ টন, ১৯.৯ লাখ টন ও ৬০৭ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যথাক্রমে ১ কোটি টন, ৭২.৬ লাখ টন এবং ১৬০০ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। মৎস্য খাতের উন্নয়নে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান, অভয়াশ্রম স্থাপন, সমবায়ভিত্তিক মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত ১০ বছরে মাছের উৎপাদন ২৭.০১ লাখ টন থেকে বেড়ে ৪১.৩৪ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে।
চলমান কভিড-১৯ সারা পৃথিবীর মানুষের জীবন-জীবিকাকে যেমন হুমকির মুখে ফেলেছে, তেমনি এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকেও ব্যাহত করছে। ইতোমধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশেই করোনার কারণে খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে করোনা, আম্পান ও দীর্ঘমেয়াদি বন্যা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রেখেছে। করোনার বিরূপ পরিস্থিতিতেও বিশ্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
দেশের উন্নয়ন হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গীকার, নেতৃত্ব ও সাযুজ্যপূর্ণ নীতিমালার গভীর সংমিশ্রণ। একটি নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়ে উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব উল্লল্ফম্ফন ঘটেছে। তার প্রধান কৃতিত্ব শেখ হাসিনা সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের। তিনি দেশকে মর্যাদা ও সম্মানের বিশ্বপরিমণ্ডলে এক অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছেন।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের 'সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ'-এ প্রতিশ্রুত অন্যতম লক্ষ্য ও অঙ্গীকার 'সবার জন্য পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধান'। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-৪২) প্রণয়ন করেছে। কৃষি, কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রণীত প্রেক্ষিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) কৌশল অনুসরণের ধারা অব্যাহত থাকবে। আমরা এসডিজি অর্জনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে উন্নীত হতে চাই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আলোকবর্তিকা তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার হাতে। তাঁর নেতৃত্বে আমরা গড়ে তুলব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ ও শান্তির 'সোনার বাংলা'।

কৃষিমন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার