ফেসবুকে লিখে কিছু হয়? বা শেষ পর্যন্ত কী হয়? প্রশ্নটা প্রথম নিজের মধ্যেই উদয় হয়েছিল। প্রশ্নটা প্রথমে নিজেকেই করেছিলাম। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক গৃহবধূর ওপর বর্বরোচিত নির্যাতনের অঘটন সামনে রেখে। মনে আছে- কর্মক্লান্ত দাপ্তরিক দিন শেষে ধীরে ঘনায়মান রাত্রি ও ক্রমে অপসৃয়মান যানজট ঠেলে যখন বাসায় ফিরছিলাম, তখন ওই নির্যাতনের ভিডিও বা ভাষ্য নাগরিক ফেসবুকের ওয়ালে ওয়ালে 'ভাইরাল' হচ্ছিল। কেউ কেউ ইনবক্সেও লিঙ্ক পাঠাচ্ছিলেন। আক্ষরিক ভাষ্য পড়েই সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছিলাম, ভিডিওটা দেখতে পারিনি। বলা বাহুল্য, ব্যক্তিগত এই বিবমিষার সামাজিক তাৎপর্য অতি সামান্য। নিপীড়কের কাছে অপরের সংবেদনশীলতার নূ্যনতম মূল্য থাকলেও দেশে এত ধর্ষণ বা নারী নির্যাতন দেখতে হতো না। এত আইন, আদালত, পুলিশ, প্রশাসন থাকতেই যেখানে নারী নির্যাতন বাড়ছে বৈ কমছে না; সেখানে একজন নগণ্য নাগরিকের গোপন বেদনা বা বিক্ষোভে কী আসে যায়? এর বাইরে আর কী করতে পারি?

সবচেয়ে সহজ ফেসবুকে একটি 'স্ট্যাটাস' দেওয়া। অন্তত নিজের প্রতিবাদটুকু 'পাবলিক' করে রাখা। স্মার্টফোনে পর্যাপ্ত 'এমবি' রয়েছে। রয়েছে নিজের ফেসবুকের অবারিত ওয়াল। রয়েছে যুগ-প্রাচীন ফেসবুকিং দক্ষতা। রয়েছে যেমন ইচ্ছা সিধা বাংলা লেখার ইউনিকোড। ঘরমুখো যানবাহনে আয়েশ করে বসে স্ট্যাটাস দেওয়া যেতেই পারত। বাম হাতের বৃদ্ধাঙুলে বাম পাশ, তর্জনীতে শিথানের দিকটা আটকে, বাকি তিন আঙুলের ওপর মোবাইল ফোনের তলদেশে ভর রেখে; ডান হাতের তর্জনী বা মধ্যমা, মায় বৃদ্ধাঙুল দিয়ে ইলেকট্রনিক বাটন চেপে একটি স্ট্যাটাস লিখতে আর কয় মিনিট লাগে! বিশেষত চারপাশে যার যার সাধ্যমতো স্ট্যাটাসের ভার্চুয়াল ভিড়ে দাঁড়িয়ে নিজের অঙ্গুলি সংবরণ সত্যিই কঠিন।

পাশাপাশি বাড়তি চাপ হতে পারে 'ফেসবুক পুলিশিং'। যে কোনো বিষয়ে নিজের যে কোনো স্ট্যাটাসে অন্যের লাভ বা অ্যাংরি ইমোর কথা বলছি না। ফেসবুক পুলিশিং হচ্ছে, ওয়ালে মত বা দ্বিমত প্রকাশের কারণে নীরবে একজনকে নিজের মতো করে 'চিনে রাখা'। সামাজিক মাধ্যমের এই সামান্য জীবনে মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষের বহু ব্যাপারিকে এভাবে ফেসবুক-দারোগার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখেছি। অফিস থেকে বাসায় পৌঁছতে পৌঁছতে একাধিক স্ট্যাটাস ওয়ালে ভেসে এলো, যার মূল কথা হচ্ছে- নোয়াখালীর ঘটনায় যারা নীরব রয়েছে, তাদের 'চিনে রাখা' জরুরি। এরা যেন মানুষের নীরবতার অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে খÿহস্ত। এসব অন্ধকার দেখে নিজেকে জীবনানন্দ দাশের শালিখ মনে হয়; যার খয়েরী ডানা 'সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে'।

মুশকিল কিংবা কাকতাল- ওই সময় ডেইলি ফেসবুকিং থেকে সাময়িক অব্যাহতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়েই কৌতূহলোদ্দীপক একটি বই পড়ছিলাম। মার্কিন প্রবাসী তুর্কি সমাজবিজ্ঞানী জায়নেপ তুফেকচি রচিত। তুর্কি উচ্চারণের এই নাম আরবিতে ভাষান্তর করলে সম্ভবত 'জয়নব তৌফিকী'। শিরোনাম- 'টুইটার অ্যান্ড টিয়ার গ্যাস: দ্য পাওয়ার অ্যান্ড ফ্রেজাইলিটি অব নেটওয়ার্কড প্রটেস্ট'। বাংলায় বললে- 'টুইটার এবং টিয়ার গ্যাস: সামাজিক মাধ্যমনির্ভর বিক্ষোভের শক্তি ও দুর্বলতা'। ২০১৭ সালে প্রকাশিত, যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে।

৩৬০ পৃষ্ঠার গ্রন্থটিতে জয়নব যা বলছেন, তার সার কথা হচ্ছে- টুইটার বা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যম 'বিক্ষোভ' আয়োজন দৃশ্যত সহজ করে দিয়েছে; কিন্তু কার্যত করে তুলেছে আরও কঠিন। যেমন ১৯৬৩ সালে মার্টিন লুথার কিংয়ের 'ওয়াশিংটন মার্চ' আয়োজনের পেছনে ছিল অন্তত ১০ বছরের প্রস্তুতি পর্ব। কিন্তু ২০১১ সালে মিসরের তাহরির স্কয়ারের বিক্ষোভ সমাবেশ সংঘটিত হতে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগেনি। আসমা মাহফুজের নাম অনেকেরই মনে থাকার কথা। তখন ২৬ বছর বয়সী এই মিসরীয় তরুণী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন- 'জনতা, আমি আজ তাহরির স্কয়ারে যাচ্ছি'। তিনি পৌঁছার আগেই সেই স্ট্যাটাস 'ভাইরাল' হয়ে পড়েছিল। পরবর্তী ইতিহাস সবারই জানা।

অধ্যাপক জয়নব বলছেন, সামাজিক মাধ্যমের এই গতি ও শক্তিই সামাজিকমাধ্যম-নির্ভর বিক্ষোভের দুর্বলতার উৎস। তিনি দেখিয়েছেন- সামাজিকমাধ্যমের বদৌলতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া 'আরব বসন্ত' এখন কীভাবে 'শীতকাল' নামিয়ে এনেছে। অনেক ক্ষেত্রে হয়েছে বুমেরাং। তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া, লেবাননের পরিস্থিতি আগের চেয়ে নাজুক। খোদ যুক্তরাষ্ট্রে এত হাঁকডাক করা 'অকুপাই ওয়ালস্ট্রিট' আন্দোলন পড়েছে মুখ থুবড়ে। জয়নবের মতে, সামাজিক মাধ্যমে যে কোনো বিষয়ে যেভাবে 'হাইপ' তোলা যায়, আমাদের হাজার বছরের সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার 'গ্রাউন্ড রিয়েলিটি' তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি নিজে তুরস্কের গাজী পার্ক আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। সেই সময় টিয়ারগ্যাসের ধোঁয়ার মধ্যে দাঁড়িয়ে বুঝতে পেরেছিলেন যে, তার আগের কয়েক দিন টুইটারে 'আগুনঝরা' পোস্টগুলো বাস্তব পরিস্থিতিতে কতটা অর্থহীন। বস্তুত তখনই 'টুইটার ও টিয়ার গ্যাস' বৈপরীত্য নিয়ে বই লেখার কথা প্রথম মাথায় আসে।

জয়নবের বই পড়তে পড়তে এর ভাষ্য বাংলাদেশের সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছিলাম। গত এক দশকে এখানে অন্তত তিনটি বড় আন্দোলনে সামাজিক মাধ্যমের 'শক্তি' বোঝা গেছে। তাহরির চত্বরের মতোই এখানে প্রথমে হাতেগোনা কয়েকজন তরুণ-তরুণী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে শাহবাগ চত্বরে অবস্থান নিয়েছিল। সেখান থেকে গণজাগরণের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল সারাদেশে। মিসরের মতো সরকারি পেটোয়া বাহিনী এসে হামলা চালায়নি; কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হয়েছিল শাপলা চত্বরের সমাবেশ।

পরবর্তীতে, সামাজিক মাধ্যমের সৌজন্যে ছড়িয়ে পড়া নিরাপদ সড়ক আন্দোলনও প্রথমে ছিল বাধাহীন। তারপরও কীভাবে, কত রূপে 'প্রতিপক্ষ' হাজির হয়েছিল, আমরা সবাই দেখেছি। চলমান নারী নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনের প্রকৃতি ও পরিণতি নিয়ে এখনও শেষ কথা বলার সময় আসেনি। কিন্তু এই দাবিতে ঢাকা থেকে নোয়াখালীমুখী লংমার্চ ফেনীতে গিয়ে খানিকটা আঁচ পেয়েছে।

কেবল বাস্তবতার কঠিন জমিনে নয়, খোদ সামাজিকমাধ্যমের চরিত্র ও চালিকাশক্তিতেও এর দুর্বলতাসূত্র নিহিত রয়েছে। ফেসবুক বা টুইটারের মতো প্রপঞ্চ যতটা 'স্বাধীন' মনে করা হয়, বাস্তবে ততটা নয়। এর পেছনে থাকে বৃহৎ পুঁজি। এগুলো ব্যবহারকারীকে ততক্ষণই স্বাধীনতা দেবে, যতক্ষণ বৃহৎ পুঁজির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না। সামাজিক মাধ্যমে কারও বিপুল 'প্রভাব' মিনিটেরও ভগ্নাংশে নিঃস্ব করে দিতে পারে এর কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া রয়েছে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। রাষ্ট্র চাইলেই কোনো অ্যাকাউন্ট বা গ্রুপকে 'সেন্সর' করতে পারে যে কোনো সময়। অফলাইন আন্দোলনের চেয়ে অনলাইন আন্দোলনে নজরদারি বরং বেশি সহজ। নারীর প্রতি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথাই যদি ধরি- খোদ সামাজিক মাধ্যমও কি অনেক ক্ষেত্রে নিপীড়নের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে না?

সামাজিকমাধ্যম-নির্ভর আন্দোলনের আরেকটি বিপদ অন্তর্গত। এখানে সম্মিলিত হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই যেহেতু আগে থেকে পরিচিত থাকেন না, একপর্যায়ে নেতৃত্ব, আদর্শ, কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিরোধ তৈরি হওয়া অনেকটা অনিবার্য। গণজাগরণ মঞ্চের ক্ষেত্রে আমরা এর দুর্ভাগ্যজনক নজির দেখেছি। এর প্রতিপক্ষ হিসেবে গড়ে ওঠা শাপলা চত্বরের সংগঠন হেফাজতে ইসলামের মধ্যেও দেখা গেছে যুযুধান বিভক্তি। সামাজিকমাধ্যম ব্যবহার করে সংগঠিত হওয়া যতটা সহজ, সেই ঐক্য ধরে রাখা ততটাই কঠিন। আর আন্দোলন বা সংগ্রামকে লক্ষ্যে পৌঁছানো পর্যন্ত টেকসই রাখা কঠিনতর।

এতকিছুর পরও সামাজিকমাধ্যমে প্রতিবাদ বা বিক্ষোভের শক্তি অস্বীকারের অবকাশ নেই। আমাদের দেশে ফেসবুকের সক্রিয়তা দিয়ে অনেক কিছুই হয়। সাম্প্রতিককালে আমরা দেখছি, যেসব ঘটনায় সামাজিকমাধ্যম সোচ্চার হয়েছে, যেগুলোর স্থির বা চলচ্চিত্র 'ভাইরাল' হয়েছে; সেগুলোই পুলিশ বা প্রশাসনের কাছে 'চাঞ্চল্যকর' বিবেচিত। আর চাঞ্চল্যকর ঘটনাগুলোতে মামলা, অভিযুক্তদের আটক, জিজ্ঞাসাবাদ, অভিযোগপত্র, বিচার ও শাস্তির প্রক্রিয়া হয়েছে দ্রুততর। সিলেটের রাজন থেকে বরগুনার রিফাত হত্যার ঘটনায় দেখা গেছে কমবেশি একই চিত্র। সর্বশেষ সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড়ও পুলিশের সক্রিয়তা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

বেগমগঞ্জের বর্বরতাও একই তালিকাভুক্ত হতে পারে নিঃসন্দেহে। কিন্তু এই অঘটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'চাঞ্চল্য' তৈরির বিপদটিও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। গৃহবধূর ওপর নির্যাতন হয়েছিল এক মাসেরও আগে। তারপর তিনি জনপ্রতিনিধিদের কাছে বিচার চেয়েছেন, পাননি। নির্যাতকরা আবারও তাকে 'কুপ্রস্তাব' দিয়ে গেছে। টিকতে না পেরে নিজের বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে গেছেন। তবুও স্থানীয় পুলিশ বা প্রশাসনের টনক নড়েনি। যখন নির্যাতনের ভিডিওটি নিপীড়করা ফেসবুকে ছেড়েছে, যখন এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়ছে; তখনই কেবল উদ্যোগী হয়েছে পুলিশ। তার মানে, বিচার পেতে হলে সামাজিক মাধ্যমে চাঞ্চল্য তৈরি পূর্বশর্ত? তার মানে, সামাজিক মাধ্যম পরোক্ষভাবে স্বাভাবিক ও সাধারণ প্রতিকারের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে?

এই প্রশ্ন এই নিবন্ধের জন্য ততটা প্রাসঙ্গিক নয় অবশ্য। প্রশ্ন হচ্ছে, অনলাইনের বিপুল সম্প্রসারণ ও সক্রিয়তার এই যুগে সামাজিক আন্দোলন-সংগ্রামে ফেসুবক, টুইটারের মতো সামাজিকমাধ্যমের ভূমিকা তাহলে গৌণ? মোটেও নয়। জয়নব তৌফিকীই দেখিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে 'ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার' আন্দোলন কীভাবে সাফল্যের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আসছে। মূল বিষয়টি হচ্ছে, অনলাইনে সক্রিয়তার আগে অফলাইনের সাংগঠনিক সক্ষমতা। সমাজে যদি শক্ত শেকড় থাকে, তাহলে সামাজিকমাধ্যম সেই বিক্ষোভ বা আন্দোলনের চারায় পত্রপল্লব গজাতে বিপুল সহায়ক হবে। অফলাইন শক্তি ও অনলাইন সক্রিয়তার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হলে তা হয়ে উঠতে পারে সত্যিকার পরিবর্তনের মহিরুহ।

বলা বাহুল্য, সামাজিক মাধ্যমে একটি 'হ্যাশট্যাগ' দেওয়া যত সহজ, মাঠে ঘাম ঝরিয়ে সংগঠন তৈরি ততটাই কঠিন। অনলাইনে সক্রিয় সবাই সেই ঘাম ঝরাতে আগ্রহী নাও থাকতে পারে। কিন্তু কাউকে না কাউকে কাজটি করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত মাঠের মানুষও এখন হাঁটছে সামাজিকমাধ্যমের কুসুমাস্তীর্ণ পথে। নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, সেটাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে মাঠের কাজটিও শুরু করতে হবে এখনই। দেশজুড়ে নারী নির্যাতনের যে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে, তার দাওয়াই হিসেবে সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের 'ক্যাপসুল' সহজেই গেলানো যায়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে সত্যিকারের সংগ্রাম গড়ে তোলার যে পথ তা 'কেমোথেরাপি' দেওয়ার মতোই দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক পরিক্রমা।

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমের লড়াই চলুক; একই সঙ্গে মাঠের প্রস্তুতির কথা যেন আমরা ভুলে না যাই।

লেখক ও গবেষক
skrokon@gmail.com