ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ঢাকা, কানাডার কার্লটন, অটোয়া ও অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ইয়োকোহামা সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কাজ করেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- আন্ডারস্ট্যাডিং টেররিজম ইন সাউথ এশিয়া: বিয়ন্ড স্ট্রাটিস্ট ডিসকোর্স।


সমকাল: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা 'সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়' এখনও কতটা প্রাসঙ্গিক?

ইমতিয়াজ আহমেদ: এই মূলনীতি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল ১৯৭০ সালে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এই নীতির আলোকেই এগোতে থাকে। অন্য সরকারও এই নীতির খুব একটা ব্যত্যয় ঘটায়নি। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যবর্তন করেন এবং ওই সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ভারত সফরে যান। তখন কলকাতায় বিশাল ময়দানে বঙ্গবন্ধু ভাষণেও স্পষ্ট করেই বলেছিলেন, এই উপমহাদেশে কিংবা প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গেই আমাদের বৈরিতা থাকবে না। স্নায়ুযুদ্ধকালে এমনকি বঙ্গবন্ধু যখন ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে যান, তখনও তিনি এই নীতির আলোকেই বক্তব্য রেখেছেন। ওই সময় এ প্রত্যয় ব্যক্ত করা এবং ধরে রাখা সাহসের বিষয় ছিল। বাংলার প্রাচীন সভ্যতার ভিত্তিতেই আমরা শত্রুতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতিই বজায় রেখেছি। বর্তমানে তো বটেই, ভবিষ্যতের জন্যও এই নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমকাল: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে করোনাদুর্যোগ সত্ত্বেও অনেক রাষ্ট্র কিংবা সরকারপ্রধানের সরাসরি ও ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ কি আমাদের কূটনৈতিক সাফল্যের প্রমাণ?

ইমতিয়াজ আহমেদ: ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ আর ২০২১ সালের বাংলাদেশের মধ্যে অনেক পার্থক্য দৃশ্যমান। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ললাটে 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিন্দুক ও সমালোচকদের সব ধারণা ভ্রান্ত করে দিয়ে বাংলাদেশ প্রায় সবক্ষেত্রে যে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে তা-ই বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে আমাদের কাছে টেনে এনেছে। মনে পড়ছে তুর্কি কবি নাজিম হিকমতের সেই পঙ্‌ক্তি- 'যদি আমার ভান্ডারে মধু থাকে তাহলে ভ্রমর বাগদাদ থেকেও আসবে'। আমরা নিশ্চয়ই 'মধু' তৈরি করতে সফল হয়েছি। সামাজিক-অর্থনৈতিক-অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নানা সূচকে আজকের বাংলাদেশের যে অগ্রগতি-অবস্থান তা অনেকের কাছে রোল মডেল। এ বিষয়গুলো সামান্য নয়, নিশ্চয় অসামান্য।

সমকাল: বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ, ওআইসি, ন্যাম, কমনওয়েলথ প্রভৃতি বিশ্ব সংস্থায় যে ভূমিকা রেখে গেছেন এরই বিকশিত প্রতিফলন কি এখন দৃশ্যমান?

ইমতিয়াজ আহমেদ: যে কোনো বড় নেতার মূল্যায়নে শত বছর কেটে যায়। সত্যিই বলেছেন, নতুন করে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে নিয়ে যে মূল্যায়ন শুরু হয়েছে তা ভিন্নভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে। বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পূর্বাপর বঙ্গবন্ধুর অবদান, ভূমিকা, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার আলো নতুনভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নিজের গ্রন্থাবলিই শুধু নয়, ৭ মার্চসহ এর আগে ও পরে এমনকি আন্তর্জাতিক ফোরামে দেওয়া তার ভাষণগুলো পর্যন্ত এখন বিশ্বে পর্যালোচিত হচ্ছে। ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্ব শান্তির পক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান এমনকি স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও ভিয়েতনামের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান, প্যালেস্টাইনের পক্ষে অবস্থান- এসবই নতুন তাৎপর্য নিয়ে প্রকাশ পাচ্ছে।

সমকাল: পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালিয়েছিল, তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে বাংলাদেশের কী করা উচিত?

ইমতিয়াজ আহমেদ: এ ব্যাপারে আরও সুনির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার ভিত্তিতে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমাদের গবেষণা হয়েছে বাংলায়। ইংরেজি ভাষায় তেমন একটা হয়নি। এ ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি আরও আছে। বর্তমান বিশ্বের বড় বড় শহরে জনমত গড়ে তোলার পাশাপাশি সব আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি নিয়ে যেতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তা উপস্থাপনের ব্যাপারেও উদ্যোগ নিতে হবে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগিয়েও আমরা সেরকম উদ্যোগ নিতে পারি। আমরা এ ব্যাপারে কাজ করছি বটে, কিন্তু তা আরও ব্যাপক পরিসরে করা জরুরি।

সমকাল: মুক্তিযুদ্ধ পর্বে চীনের অবস্থান ছিল আমাদের বিপক্ষে। কিন্তু এখন চীন আমাদের বড় উন্নয়ন সহযোগী ও বন্ধুরাষ্ট্র। বিষয়টি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

ইমতিয়াজ আহমেদ: মনে রাখতে হবে, আমেরিকা চেয়েছিল চীন ওই সময় পাকিস্তানকে আরও জোরালোভাবে সহযোগিতা করবে। কিন্তু তারা তা করেনি। লক্ষণীয়, বঙ্গবন্ধু সরকার গঠন করে চীনে একটি মিশন পাঠিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর রচিত 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থে চীনের প্রতি তার এক ধরনের আকর্ষণের বিষয়টি উঠে এসেছে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির আলোকেই কিন্তু চীন, আমেরিকা, জাপান, ভারতসহ আরও অনেকের সঙ্গে আমরা মৈত্রীর সেতু নির্মাণ করেছি। আমি মনে করি, চীন এখন বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশ বড় সম্ভাবনাময় দেশ। তারা পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমাদের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী।

সমকাল: মুক্তিযুদ্ধে আমাদের মিত্রশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন আজ আর অখণ্ড নেই। রাশিয়া কি সোভিয়েত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উত্তরাধিকার বহন করে?

ইমতিয়াজ আহমেদ: আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে খুব বড় মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যাদের মস্কোপন্থি বলা হতো তাদের রাজনৈতিক শক্তি আর আগের মতো নেই। কিন্তু রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে অন্য যেসব রাষ্ট্র হয়েছে তাদের কারও সঙ্গেই আমাদের নৈকট্য কম নয়। তবে রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে অনেক মজবুত। আমাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার সহযোগী শক্তি রাশিয়া। আশা করা যায় এই দু'দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক আরও নিবিড়ই হবে।

সমকাল: ভারত আমাদের ঘনিষ্ঠতম প্রতিবেশী ও বহুল উচ্চারিত বন্ধুরাষ্ট্র। সেই প্রেক্ষাপটে তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যাসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলো কীভাবে দেখবেন?

ইমতিয়াজ আহমেদ: প্রতিবেশীর সঙ্গে মাঝে মধ্যেই ছোট-বড় সমস্যা দেখা দেয় এমন নজির অনেক আছে। চীনের সঙ্গেও ভারতের সমস্যা রয়েছে, দু'দেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রার প্রেক্ষাপটেও। তিস্তার পানি ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড এ দুটিই ভারতের সঙ্গে আমাদের অমীমাংসিত বড় বিষয়। তিস্তার পানি বণ্টন সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্য সরকার শুধু তৃণমূল কংগ্রেসই নয়, যে কোনো দলের হাতেই শাসনভার থাক না কেন যেভাবে পানি বণ্টনের রেশিও করা হয়েছে তারা তা সহজে মেনে নেবে বলে আমার মনে হয় না। শুস্ক মৌসুমে তিস্তায় পানিই থাকে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ প্রশ্ন তুলেছেন- যেখানে পানিই থাকে না, সেখানে ভাগাভাগিটা কীভাবে হবে। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিরও এজেন্ডা হয়ে গেছে।

সমকাল: তিস্তায় তাহলে সমাধান কী?

ইমতিয়াজ আহমেদ: আমরা কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। বর্ষা-বৃষ্টির মৌসুমে যখন পর্যাপ্ত পানি আসে তা কীভাবে মজুদ করে রাখা যায় তা আমাদের ভাবা দরকার। বিষয়টি ব্যয়বহুল হলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সেই ধরনের বাঁধ নির্মাণে চীন সহযোগিতাদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমি মনে করি এভাবে আমরা এগোলে ব্যয়বহুল হলেও আমাদের সংকট নিরসন অনেকটাই করা যাবে। এ সমস্যার সঙ্গে সিকিমে যে অনেকগুলো হাইড্রোড্যাম্প তৈরি করা হয়েছে এর সম্পর্ক রয়েছে। এগুলো ভাঙতে হবে। তারা কি তা চাইবে? ওই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকও জড়িত। আবার এ ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা প্রস্তাবেও মনে হয় ভারত চিন্তিত। কিন্তু কূটনৈতিক তৎপরতায় যদি আমরা এ ক্ষেত্রে সমঝোতায় আসতে পারি, তাহলে ভারতেরও লাভ।

সমকাল: আর সীমান্ত হত্যাকাণ্ড?

ইমতিয়াজ আহমেদ: সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধে ভারতের সংবাদমাধ্যম ও জনপরিসরে যদি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়, তাহলে তাদের সরকারও অন্যভাবে ভাবতে বাধ্য হবে। আন্তর্জাতিক আইনে কোনো নিরস্ত্র ব্যক্তিকে, চোরাচালানকারী হলেও, হত্যা করার কোনো অধিকার কারও নেই। তাদের দেশের জনগণ বিচারবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে যদি সোচ্চার হয় তাহলে আমাদের জন্য অনেক বেশি ফলদায়ক।

সমকাল: মধ্যপ্রাচ্যসহ পূর্ব-পশ্চিমের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব আরও নিবিড় করতে করণীয় কী বলে মনে করেন?

ইমতিয়াজ আহমেদ: আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে আমাদের এখনও কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে। আমরা আমাদের বাঙালির বহু পুরোনো সভ্যতার পরিচয়টা এখনও সেভাবে তুলে ধরতে পারছি না। আমরা একাত্তর থেকেই শুরু করি। কিন্তু ভারতবর্ষে বাংলার সভ্যতার বিরাট বিষয় আছে, যার সাক্ষ্য মেলে মহাভারতেও। আদিকালেই বাংলা যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ অঞ্চল ছিল, বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি ছিল তা তারা ভুলে গেছে। কেউ কেউ এখনও মনে করে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ অঞ্চল এই ভূখণ্ড। বাংলার সভ্যতার বিষয়টি যদি বড় আকারে মধ্যপ্রাচ্যসহ পূর্ব-পশ্চিমে আরও জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করা যায়, এর বহুমুখী সুফল আসবে।

সমকাল: মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থীকেন্দ্রিক যে সংকটে আমরা নিপতিত, এর নিরসনে কি কূটনৈতিক কলাকৌশলই নিতে পারি?

ইমতিয়াজ আহমেদ:ভালো প্রশ্ন। কোনো সন্দেহ নেই আমরা কূটনীতির পথটাই বেছে নিয়েছি। মিয়ানমার এত বড় কলঙ্কজনক অধ্যায় সৃষ্টি করল গণহত্যা চালিয়ে, মানবাধিকারের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, তারপরও তাদের সঙ্গে আমরা রাষ্ট্র পর্যায়ে সম্পর্ক রেখেছি। আমাদের দেখতে হবে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে কোন কোন আন্তর্জাতিক শক্তি সহায়তা করছে। চীন-ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। জাপানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এই তিনটি দেশের কারণে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী হয়তো সাহস পাচ্ছে। চীনের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ভারতের বিরোধ স্পষ্ট কিন্তু মিয়ানমারের ক্ষেত্রে তাদের মনোভাব অভিন্ন। আমাদের কূটনীতির এখন মূল কাজ হলো, ভারত ও জাপানকে বুঝিয়ে এ ক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নেওয়ার সর্বতো প্রচেষ্টা জোরদার করা। তা করতে পারলে চীনের ওপর একটা বড় চাপ পড়বে।

সমকাল: ভূরাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমাদের দরজায় আন্তর্জাতিক কূটনীতির কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

ইমতিয়াজ আহমেদ:করোনা মহামারির অভিঘাত বিশ্বচিত্র পাল্টে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বিশ্ব বাস্তবতা মোকাবিলায় নতুন কূটনৈতিক ছক কষতে হবে। বিশ্বায়নের এ যুগে ক্ষমতার নতুন মেরুকরণও ঘটছে। যেহেতু আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই; নতুন মেরুকরণে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে।

সমকাল: সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

ইমতিয়াজ আহমেদ: সমকালের জন্য শুভকামনা।