রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে মানব পাচার চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। তারা হলো- মো. ফয়সাল, সোহেল হোসেন, রুবি, সেলিনা ও কল্পনা। গত বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, এই চক্রটি বেশি বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে নারীদের পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে আসছিল। গত বছরের ২০ মে এক তরুণীকে পাচার করা হয়। সেই তরুণীর খোঁজ পাওয়া যায়নি আজও। ওই তরুণীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৩ অনুসন্ধান চালিয়ে এই চক্রকে শনাক্ত করে। চক্রটির মূল হোতা ফয়সালের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নয়ন মাতবরের কান্দি গ্রামে। গ্রেপ্তার অপর চারজনের মধ্যে সোহেলের বাড়ি ভোলার দৌলতখান থানার চরখলিফায়, রুবির বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের মালখা নগরে, সেলিনার বাড়ি গোপালগঞ্জের তেলিগাতি এবং কল্পনার বাড়ি ঢাকার শ্যামপুরে।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, ১০ বছর ধরে নারী পাচারে জড়িত তারা। একজন তরুণীকে পাচার করতে তাদের খরচ হয় ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশে থাকা দালালের পেছনে যায় ১৫-২০ হাজার টাকা। তরুণীদের পাচারের পর অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। ফয়সাল ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে দেশটিতে দু'বার ছয় মাস করে জেল খেটেছে। সোহেলও ওই দেশে জেল খেটেছে ছয় মাস।