সাড়া জাগানিয়া বন্ধু সংগঠন সারাবাংলা’৮৮ এখন থেকে ‘বাংলাদেশ৮৮’ নামে পথচলা শুরু করেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৮৮ সালে এসএসসি বা মেট্রিক পাশ করা শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রায় দেড় বছর আগে গড়ে উঠে সারাবাংলা’৮৮।

এই পথচলায় সংগঠনটি শিক্ষা, চ্যারিটি, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ফোরামের মাধ্যমে সমাজ সেবামূলক নানা কর্মসূচি পালন করেছে, যা বাংলাদেশ এবং দেশের বাইরেও ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। এই উদ্যোগী কর্মকাণ্ডের ব্যাপকতা আরও বাড়াতে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ৮৮ নামে পথচলা শুরু করল।

সম্প্রতি বাংলা একাডেমিতে ঢাকা দক্ষিণ ফোরামের অভিষেক ‘দখিণা দুয়ার’ অনুষ্ঠানে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন সারাবাংলা’৮৮-এর রূপকার ডা. সাইদ মাহমুদ আলী রেজা মিলন।

‘দখিণা দুয়ার‘ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা দক্ষিণ প্যানেল জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটর চিন্ময় করের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ঢাকা দক্ষিণের কো-অর্ডিনেটর ও এ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাকারী আতিকুর রহমান আতিকের সমাপণী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে অংশ নেন ১৯৮৮ সালে এসএসসি পাশ করা দেশ-বিদেশের নানা শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।


ঢাকা দক্ষিণ প্যানেল অভিষেক অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত বক্তব্যে ডা. মিলন সারাবাংলা’৮৮ গঠন এবং তা পরিবর্তন করে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ’৮৮ নামে পথচলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ৮৮ সদস্য সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়াসহ নানা সহায়তার ব্যবস্থা করে যাচ্ছে এ সংগঠন।

বাংলাদেশ৮৮ সদস্য এবং তাদের পরিবাব-পরিজনদের আরও সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তার জন্য নানা পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আয়ারল্যান্ডের খ্যাতিমান এ বাঙালি ডাক্তার।

নতুন নাম ঘোষণার পর বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী হায়দার হোসেন এবং কিরণ চন্দ্র রায়ের সঙ্গীত পরিবেশনায় মুগ্ধ হন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজারও অতিথি। এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ৮৮ কালচারাল ফোরামের সদস্যরাও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর শিক্ষা ফোরামের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

দুপুরের পর থেকে অনুষ্ঠানজুড়েই ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রায় ৫০ ধরনের বেশি খাবারের আয়োজন করা হয়। দখিণা দোয়ারের সব আয়োজনই ছিল ভিন্ন মাত্রার এবং নতুনত্বে ভরপুর। যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন অতিথি বন্ধুরা।