সমকালীন বিশ্বব্যবস্থায় সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক প্রভাবে উন্নত-উন্নয়নশীল-অনুন্নত বিশ্বের সামগ্রিক সামাজিক-প্রাকৃতিক পরিবেশ-প্রতিবেশ চরম বিপন্নতায় পর্যুদস্ত হয়ে পড়ছে। জীববৈচিত্র্য, জীবন-জীবিকার প্রাত্যহিক গতিময়তা সত্যের কাঠিন্যে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখোমুখি। নানামুখী গবেষণার বৈজ্ঞানিক বিশ্নেষণ, তথ্য-উপাত্ত, পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে প্রকৃত অর্থেই ধরিত্রীর সব নাগরিকের হৃদয়ের গভীরে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অজানা আশঙ্কা-আতঙ্কের দুর্ভেদ্য প্রাচীর নির্মিত হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পের পর্যবেক্ষণ-মতামত-ভবিষ্যদ্বাণী পুরো বিশ্বকে প্রতিনিয়ত নবতর প্রকরণে পরিবেশের সব উপাদানের পরিবর্তনশীল গতিধারা সম্পর্কে প্রচণ্ড কৌতূহলী করে তুলছে। পরিত্রাণের সুগম পন্থা উদ্ভাবনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে করুণ আর্তনাদ প্রতিধ্বনিত হলেও তা কোনোভাবে উন্নত বিশ্বের কর্ণগোচরে আসছে বলে মনে হচ্ছে না। সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুত বিষয়গুলোর প্রতি চরম অবজ্ঞা-অমনোযোগ বিবেকপ্রসূত বিশ্ববাসীকে হতবাক করছে। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাতে প্রচণ্ড লন্ডভন্ড। দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর জীবনপ্রবাহসহ যাবতীয় উন্নয়ন উদ্যোগ তথা দারিদ্র্য দূরীকরণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, পানি সরবরাহ, পয়ঃনিস্কাশন ও জনস্বাস্থ্য, পল্লি উন্নয়ন ইত্যাদি কর্মযজ্ঞ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আর্তনাদে নিপতিত হয়েছে গরিব ও প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যসূত্র পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণে বিশ্বে সর্বনিম্ন হওয়া সত্ত্বেও এর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় রয়েছে। মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ দশমিক ৫, জাপানের ৯ দশমিক ৫, মালয়েশিয়ার ৭ দশমিক ৭, ভারতের শূন্য দশমিক ৮ টনের বিপরীতে বাংলাদেশের নিঃসরণ মাত্র শূন্য দশমিক ৩ টন। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ক্ষতিকর প্রভাবও বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি। ইন্টার গভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) চতুর্থ সমীক্ষা অনুসারে, গত শতাব্দীতে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ যা ২ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৫০ সেলসিয়াসে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় অঞ্চলেই তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। কিন্তু এই গ্রীষ্ফ্মকালে ইতালি ও কানাডায় যথাক্রমে ৪৮ দশমিক ৮ ও ৪৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হওয়ার পর পরিবেশ বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমালে বিশ্বের অন্যান্য জায়গাতেও ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ ইনস্টিটিউটের সহযোগী পরিচালক তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতার কারণ হিসেবে জীবাশ্ম জ্বালানির অধিকতর ব্যবহারকে শতভাগ দায়ী করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ১৯৮৫-৯৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশের গড় বার্ষিক তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নভেম্বর মাসে শূন্য দশমিক ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। 
উল্লেখ্য, সমীক্ষার বিশ্নেষণে প্রতিফলিত হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বৃদ্ধি পায়, তাহলে মাটি-পানির ইকোসিস্টেম এবং বায়ুমণ্ডল মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে। মাটির অণুজীবের কার্যাবলি, আয়ন বিনিময়, পুষ্টি উপাদানের সহজলভ্যতা, মাটির পানি চলাচল, মাটির অম্লতা, জৈব পদার্থের পচন, শিকড়ের বৃদ্ধি বিঘ্নিত হয়ে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাবে। সাধারণত বাংলাদেশে ফসলের ৭০ শতাংশই উৎপাদিত হয় অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে। ওই সময়ে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে প্রায় সব ফসলেরই ফলন কমে যাবে। পক্ষান্তরে বর্ষাকালে অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির ধান ও বর্ষাকালীন ফসলের উৎপাদনও ব্যাহত হবে। আকস্মিক বন্যায় হাওর এলাকাসহ উপকূল, মোহনা এবং নদী অববাহিকার ইকোসিস্টেম ও কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে। ২০৩০ সালে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১০-১৫ শতাংশ এবং ২০৭৫ সাল নাগাদ ২৭ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কৃষিতে চ্যালেঞ্জগুলো আরও জটিল হবে। যদিও শস্যদানা উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ, তথাপি তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে তা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। বিজ্ঞজনের ধারণামতে, ২০৫০ সালে বর্তমানের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি খাদ্য লাগবে। পরিবর্তিত জলবায়ুতে আগামীতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশকে কঠিন যুদ্ধে লিপ্ত হতে হবে। বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষিবিদসহ সংশ্নিষ্ট সবাই খরা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততাসহিষুষ্ণ ফসলের জাতসহ নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে যুগান্তকারী সাফল্য দেখিয়েছেন। 
বিশ্বব্যাপী পরিবেশের পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ প্রশমনের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন শীর্ষক সম্মেলনে পরিবেশ-সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়। ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে যে বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছিল তা কিয়োটো প্রটোকল নামে সুপরিচিত। বর্তমানে এ চুক্তির দ্বারা ১৯২টি দেশ দায়বদ্ধ। ঐতিহাসিকভাবে উন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য দায়বদ্ধ করে ২০০৮ থেকে '১২ সালের মধ্যে প্রথম দায়বদ্ধতা সময়কালে ৩৭টি শিল্পোন্নত দেশের নিঃসরণের পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয়। ২০১২ সালে এ চুক্তিকে পরিবর্ধন করে পেশ করা হয়, যা দোহা সংশোধনী নামে পরিচিত। ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন-কপ২১। সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি ও উপস্থিত ১৯৬টি দেশের প্রতিনিধিদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস সম্পর্কিত একটি বৈশ্বিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাস করার পদ্ধতির অংশ হিসেবে নির্গমন হ্রাস করতে চুক্তিতে সর্বসম্মতভাবে রাজি হয়েছিল। সদস্যরা তাদের কার্বন নিঃসরণকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হ্রাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার সর্বাত্মক চেষ্টার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল। ২২ এপ্রিল ২০১৬ সালে নিজস্ব আইনি ব্যবস্থায় গ্রহণের মাধ্যমে ১৭৪টি দেশ নিউইয়র্কে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। ওই সম্মেলনের আগে ১৪৬টি জাতীয় জলবায়ু প্যানেল প্রকাশ্যে জাতীয় জলবায়ু অবদানের একটি খসড়া উপস্থাপন করে, যা 'উদ্দিষ্ট জাতীয় নির্ধারিত অবদান' নামে স্বীকৃত। আগের চুক্তিগুলোতে আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেক দেশই চুক্তি মানেনি বা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ নভেম্বর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় অনুষ্ঠিত ২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৬) মূল অধিবেশনে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন হ্রাস করার জন্য প্রধান নির্গমনকারীদের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা (এনডিসি) পেশ এবং সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই অধিবেশনের ভাষণে তিনি চারটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে- ধনী দেশগুলোর কার্বন নিঃসরণ কমানোর ওপর জোর দেওয়া; উন্নত দেশগুলোর উচিত অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে ৫০ :৫০ ভারসাম্য রেখে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা; সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিচ্ছন্ন-সবুজ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া ও সিভিএফ দেশগুলোর উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা-খরার কারণে বাস্তুচ্যুত জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য বিশ্বব্যাপী দায়বদ্ধতা ভাগ করে নেওয়াসহ লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সমাধান করা। এ সময় তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় তার সরকার কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে- দেশের এনডিসি আপডেট, ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগে ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিল এবং ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে নিজস্ব শক্তির ৪০ শতাংশ নেওয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে 'মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা' চালুকরণ প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন। 
কপ২৬ সম্মেলনস্থলে কমনওয়েলথ প্যাভিলিয়নে 'সিভিএফ-কমনওয়েলথ হাই-লেভেল ডিসকাশন অন ক্লাইমেট প্রসপারিটি পার্টনারশিপ' শীর্ষক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণে ধনী দেশগুলোর কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দরিদ্রতম ও সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ৪৮ দেশের অর্থায়ন চাহিদার আশু স্বীকৃতি দাবি করেন। তিনি প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এবং কমনওয়েলথ দেশগুলোর যৌথ পদক্ষেপের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধান অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি ছয় বছর আগে প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলো ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য বছরে ১০০ কোটি ডলারের যে তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি সফল না হওয়াকে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হতাশাব্যঞ্জক বলে মন্তব্য করেছেন। ৬ নভেম্বর ২০২১ গণমাধ্যমে প্রকাশিত জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা জার্মানওয়াচের বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির সূচক-২০২১ প্রতিবেদন সূত্রে বাংলাদেশ ঝুঁকির শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে ক্ষতির তালিকায় সপ্তম এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির হিসাবে অবস্থান পঞ্চম। জাতিসংঘের ইউনিসেফের বহু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিশুরাও এই ঝুঁকির তালিকার ১৫তম অবস্থানে আছে। আগামী দিনে ধনী-দরিদ্র দেশগুলোর বৈষম্য-উদ্ভূত সমস্যার প্রায়োগিক কর্মকৌশল বাচনিক ভঙ্গিতে নয়; কার্যকর কর্মযজ্ঞ সম্পাদনে ধনী দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতা ও অসফলতা প্রাপ্তির অপূর্ণতাকেই পূর্ণতাদানে অভিযুক্ত করবে, নিঃসন্দেহে তা বলা যায়।
ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী :সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়