গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফুকরা মিল্টন বাজার এলাকার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় চিকিৎসকসহ ৯ জন নিহতের ঘটনায় রাজিব পরিবহনের বাসচালক শংকর দাসকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ। শংকর দাসের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার গুদিঘাট গ্রামে।

কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম মোহাম্মদ মোফাজ্জেল হক বাস চালকের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মোফাজ্জেল হক বলেন, গোপন সংবাদে জানতে পারি শংকর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সুস্থ হয়ে দেশ থেকে পালানোর পরিকল্পনা করছে। তারপর খুলনা পুলিশের সহযোগিতায় ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শংকর দাসকে গ্রেপ্তার করে।

গত ১৪ মে কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা মিল্টন বাজার এলাকার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস-প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. বাসুদেব সাহাসহ ৯ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হন। বাস চালক শংকর দাসও পা ভেঙে আহত হন। আহত শংকরকে প্রথমে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ১৫ মে রাত ১০টার দিকে ভাটিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ট্রাফিক উপ-পরিদর্শক গৌতম কুমার দাস বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বাস চালককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম মোহাম্মদ মোফাজ্জেল হক আরও জানান, শংকর এখনো পুলিশ হেফাজতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সুস্থ হলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।