নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে সবার জন্য বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ চায় সংসদীয় কমিটি। এ জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নে সাব-কমিটি করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মাহবুব আলী, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও কানিজ ফাতেমা আহমেদ।
বৈঠকে বিমান সচিব বলেন, ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের নীতিমালা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ করেছে। মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপের সুযোগ খতিয়ে দেখতে হবে। এ পর্যায়ে কমিটির সভাপতি বলেন, মন্ত্রণালয়ের যে কোনো বিষয়ে সুপারিশের এখতিয়ার সংসদীয় কমিটি রাখে এবং বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো সম্ভব। মালেসহ বিশ্বের অনেক বিমানবন্দরে ফি দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করা হয়। আমাদের বিমানবন্দরগুলো আধুনিকায়ন করে সুযোগটি রাখা যেতে পারে।
পরে কমিটি সবার জন্য ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনার সুপারিশ করে এবং এ বিষয়ে সাব-কমিটির সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ থেকে অনুমোদিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়।
কমিটি বলছে, অনেক সার্কুলারের সমন্বয়ে করা ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের নীতিমালা। তানভীর ইমামের নেতৃত্বে আনোয়ার খান ও বেগম কানিজ ফাতেমা আহমেদের সাব-কমিটি সার্কুলারগুলো পর্যালোচনা করে বুকলেট প্রকাশ করবে। এ সময় আগের বৈঠকে ভিআইপি লাউঞ্জ সংক্রান্ত সুপারিশের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
সূত্র জানায়, বৈঠকে গতকাল রোববার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে হজযাত্রী পরিবহন নিয়ে আলোচনা হয়। বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ বছর জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) দেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ হজযাত্রী পরিবহনের অনুমতি দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ পরিবহনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিমান। ৩১ মে থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত প্রি-হজ এবং ১৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফিরতি হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। ১১টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটে সরকারি ব্যবস্থাপনায় (ব্যালটি) এবং ৫৪টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (নন-ব্যালটি) হজযাত্রীদের সৌদি আরব নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিমানের শিডিউল ফ্লাইটেও হজযাত্রী পরিবহনের অনুমতি রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে বিমানের ১০-১২টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।