রাইস ব্র্যান তেল রপ্তানি উন্মুক্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত বুধবার এক আদেশে ধানের কুঁড়া থেকে তৈরি এ ভোজ্যতেলের ওপর থাকা রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সয়াবিন, পাম অয়েলসহ ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে থাকায় গত ২৪ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক আদেশ জারি করে রাইস ব্র্যান তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ভোজ্যতেলের দাম কমে আসায় এবং স্থানীয়ভাবে রাইস ব্র্যান তেলের তেমন চাহিদা না থাকায় আজ ১ জুলাই-এর রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলো।

স্থানীয় রাইস ব্র্যান তেল উৎপাদনকারী কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল হোসেন সমকালকে বলেন, রপ্তানির সুযোগ অবারিত করার সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য ইতিবাচক। তবে অভ্যন্তরীণ বাজারে এ তেলের জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করার উদ্যোগও সরকারকে নিতে হবে।

দেশে বেশ কয়েকটি কোম্পানি রাইস ব্র্যান তেল উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছে। রশিদ অয়েল মিল হোয়াইট গোল্ড নামে এ তেল বাজারজাত করে। এমারেল্ড অয়েল বাজারজাত করে স্পন্দন নামে। কেবিসি এগ্রো প্রোডাক্টস, মজুমদার প্রোডাক্টস অপরিশোধিত রাইস ব্র্যান উৎপাদন করছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ১৮ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর সিংহভাগই সয়াবিন ও পাম অয়েল আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সরিষা, রাইস ব্র্যান, সূর্যমুখীর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২ লাখ টনের সরবরাহ আসে।