১০২ বছরে পদার্পণ করছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাবির ১০২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১০২ পাউন্ডের কেক কেটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের ‌অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। 

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন তিনি। 

এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হন।

এরপর অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়ান উপাচার্য। তারপর সকলকে নিয়ে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আখতারুজ্জামান বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য– ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন: ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’। এর মধ্য দিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা তার দ্বিতীয় শতকের জন্য উপযুক্তভাবে গড়ে তুলব। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা মোতাবেক জাতির উন্নয়নের সহায়ক, এমন ধরণের উদ্ভাবন এবং গবেষণা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন্এম র মধ্য দিয়ে জাতীয় উন্নয়নে খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়টি ঐতিহাসিকভাবে যে অবদান রেখে আসছে সেই ধারাবাহকিতা অক্ষুণ্ন থাকবে। কীভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়টি অবদান রাখবে, কীভাবে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধাসমূহ কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের উপযুক্ত করে বিনির্মান করা যাবে সেজন্য আমরা কর্মকৌশল গ্রহণ করব।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকারসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর র‍্যালি সহকারে সকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আসেন। সেখানে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন: ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ এ আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।