প্রতারণা ঠেকানোর পাশাপাশি ই-কমার্সকে আরও গ্রাহকবান্ধব করতে সংশোধিত হচ্ছে ই-কমার্স নীতিমালা। এরই অংশ হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইউএসএইডের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে পলিসি ডায়ালগ। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে গত বৃহস্পতিবার এ সংলাপের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যমান ই-কমার্স নীতিকে এটুআইর (এসপায়ার টু ইনোভেট) সহযোগিতায় আয়োজিত এই সংলাপে আইসিটি বিভাগ, এসএমই ফাউন্ডেশন, ব্যাংক, বাণিজ্য সংগঠনগুলো এবং ই-কমার্স উদ্যোক্তারা যোগ দেন। সংলাপে ই-কমার্সের জন্য ব্যবসায়ীদের সহজে ডিজিটাল বিজনেস আইডি ও ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সংলাপ অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ, আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলম, ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল ছাড়াও ই-কমার্স ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এটুআইর ই-কমার্স প্রধান রেজওয়ানুল হক জামি ডিজিটাল আইডি সম্পর্কে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠানে ই-কমার্স ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যেক্তার সংখ্যা প্রতি বছর প্রায় ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। টেকসই ই-কমার্স ইকোসিস্টেম তৈরিতে তাঁরা নীতিমালা সংশোধনে জোর দেন।

তাঁরা বলেন, কিছু জায়গায় পলিসি সংস্কার করলে এবং প্রযুক্তিসক্ষম ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার করতে পারলে এই খাত আরও দ্রুত বাড়তে পারে। আইসিটি সচিব এনএম জিয়াউল আলম বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ডিজিটাল পেমেন্টের ইন্টার-অপারেবিলিটি নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে অচিরেই পেমেন্ট সিস্টেম স্বয়ংক্রিয় হবে। তিনি এ খাতের প্রসারে ব্যাংকারদের ক্ষুদ্র ও ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, পলিসি একটি নির্দেশনা। এটিকে যুগোপযোগী রাখতে সরকার সব সময় সচেষ্ট। ই-কমার্সের জন্য ডিজিটাল বিজনেস আইডি ও ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনে কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। এগুলো নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করলে ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি গ্রাহকরা উপকৃত হবেন। এ রকম তিনটি সংলাপ আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

বিষয় : ই-কমার্স নীতিমালা এসপায়ার টু ইনোভেট

মন্তব্য করুন